News Headline :
জীবনে প্রেমের প্রভাব কতখানি? ভোরে উঠলেই কি পদোন্নতি নিশ্চিত? ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকার আসল রহস্য দীর্ঘ বিরতি ভেঙে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন ইয়ামি গৌতম তৃতীয় বিয়ে করায় আমির খানকে খুনের হুমকি! ঝাঁকড়া চুলের কুকুরেয়া: মেসির সাবেক সতীর্থ এখন স্পেনের ‘ট্রাম্পকার্ড!’ টিকিটের গড় দাম ১১ হাজার ডলার, কালোবাজারে ৫ লাখ ! – মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-স্পেন, রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ফাইনাল! ‘আমি যার পক্ষ নিই, সেই হারে’, নিউ ইয়র্ক মেয়র মামদানির আক্ষেপ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটি, সভাপতি সারওয়াত সিরাজ শুক্লা ট্রাম্পের মাথার দাম ১২৩ কোটি টাকা ঘোষণা
রপ্তানি বহুমুখীকরণে হালাল পণ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে: হাসান আরিফ

রপ্তানি বহুমুখীকরণে হালাল পণ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে: হাসান আরিফ

রপ্তানি বহুমুখীকরণ এখন সময়ের দাবি এবং হালাল পণ্য এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

শনিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) আয়োজিত ‘রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের জন্য হালাল’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিসিআইয়ের বোর্ডরুমে আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)।

কর্মশালায় মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এখন সময়ের দাবি এবং হালাল পণ্য এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শুধু কৃষি ও খাদ্যপণ্য নয়, হালাল অর্থনীতির আওতায় আরও বহু খাত রয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে।এ সমস্যা দূর হলে রপ্তানি সম্প্রসারণ আরও সহজ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেন, খাদ্য ও কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প, ওষুধ ও বায়োটেক, হালাল অর্থনীতি, প্রযুক্তিনির্ভর পোশাক, ইলেকট্রনিকস, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়া, আসবাবপত্র ও জাহাজ নির্মাণ—এসব খাত ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত হতে পারে।

হালাল শিল্পের সম্ভাবনা তুলে ধরে বিসিআই সভাপতি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের হালাল পণ্যের রপ্তানি প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন ডলার হলেও ২০২৫ সালে বৈশ্বিক হালাল বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০৩৪ সালে বেড়ে ৯ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এখনো অনেক কম থাকায় বাংলাদেশের জন্য এ খাতে বড় সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বিএসটিআই পৃথকভাবে হালাল সনদ দেওয়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে একক হালাল কর্তৃপক্ষ গঠন প্রয়োজন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইইউবিএটি বিজনেস স্কুলের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মোমিনুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি শাব্বির এ. খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. দীন ইসলাম। এছাড়া ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোক্তা, গবেষক ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

কর্মশালা থেকে হালাল পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশকে হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলা, একক হালাল বোর্ড প্রতিষ্ঠা, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত শরিয়াহ, স্বাস্থ্যবিধি ও নৈতিক মান বজায় রাখা, আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার স্থাপন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো, গবেষণা ও উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পৃক্ত করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS