কানাডায় অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ম্যাচ দেখতে আসা বিদেশিদের মধ্য থেকে ১৭৫টি আশ্রয়ের আবেদন করা হয়েছে। সেগুলো মধ্যে ১০টি আবেদন বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে করা হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে ও গত জুনে টরন্টো ও ভ্যানকুভারে অনুষ্ঠিত ১৩টি ম্যাচ দেখার জন্য বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিভাগ (আইআরসিসি) ২৬ হাজারের বেশি ভিসা দিয়েছিল।
এসব ক্ষেত্রে বিদেশি ক্রীড়া দলের সদস্য বা সাপোর্ট স্টাফদের আশ্রয়ের আবেদন করার ঘটনা নতুন কিছু নয়।এমনকি যেসব দেশ আগে থেকেই এমন আশঙ্কা করে, তারা দলের খেলোয়াড়দের বিদেশে কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে দেয় না।
কানাডার দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলের সদস্যরা আশ্রয়ের আবেদন করতে পারেন– এমন আশঙ্কায় ইরিত্রিয়ার ফুটবল ফেডারেশন তাদের দলকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে নেয়।
পত্রিকাটিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরসিসি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ২০ জুলাই পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া ২৬,১১১ জনের মধ্যে ১৭৫ জন পরবর্তীতে আশ্রয়ের আবেদন জমা দিয়েছেন। এই আবেদনকারীরা আগে তাদের অস্থায়ী বসবাসের আবেদনে কারণ হিসেবে ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২৬’ উল্লেখ করেছিলেন।
১৭৫টি আবেদনের মধ্যে কতজন খেলোয়াড় ও কতজন সাপোর্ট স্টাফ আবেদন করেছেন সেটি জানানো হয়নি।
তবে ভিজিটর ভিসার মাধ্যমে জমা পড়া আশ্রয় আবেদনগুলোর দেশভিত্তিক তালিকার মধ্যে রয়েছে– চীন থেকে ২৫টি, মিশর থেকে ১৫টি, ঘানা থেকে ২৫টি, কলম্বিয়া থেকে ১৫টি, সেনেগাল থেকে ১০টি, ইকুয়েডর থেকে ৫টি, বাংলাদেশ থেকে ১০টি, নাইজেরিয়া থেকে ১০টি এবং বুরুন্ডি, নেপাল ও পাকিস্তান থেকে ৫টি করে আবেদন।
আইআরসিসি আগে ঘোষণা জানিয়েছিল, ফিফার বিশ্বকাপ টিকিটধারীদের নিজ দেশে ফিরে না যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তাদের কানাডায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হতে পারে। তা সত্ত্বেও পরবর্তীতে এই আশ্রয় আবেদনগুলো জমা পড়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি