দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি স্পিকারকে (ভারপ্রাপ্ত) অবহিত করল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে আরও আলোচনা করে ভোটের তারিখ জানাবে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, “মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), তিনজন নির্বাচন কমিশনারসহ আমরা মাননীয় স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে আইনসঙ্গত কারণে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হয়। সেখানে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।যেমন- সংসদ অধিবেশন থাকলে কী হবে, সংসদ অধিবেশন না থাকলে কী হবে, একক প্রার্থী থাকলে কী হবে, একক প্রার্থী না থাকলে কী হবে—এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে সাক্ষাতে মূলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতিগত বিষয় নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।নির্বাচনের তারিখ সম্পর্কে কোনো আলোচনা হয়নি। নির্বাচনের তারিখ বা তফসিল সংক্রান্ত বিষয় চূড়ান্ত হলে আপনাদের পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই (শুক্রবার) বিকেলে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আর সেই শূন্যতায় স্পিকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১’ অনুযায়ী, সিইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এক্ষেত্রে তফসিল দেবেন স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়ে থাকেন সংসদ সদস্যরা।