যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এজেন্টরা প্রয়াত ইরানি সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির ভাতিজি ও নাতনিকে গ্রেপ্তার করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা (গ্রিন কার্ড) মর্যাদা বাতিল করার পর শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হামিদেহ সোলাইমানি আফসার এবং তার মেয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর হেফাজতে রয়েছে।’
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সোলাইমানি আফসার আমেরিকান সেনাদের ওপর হামলাকে সমর্থন করেছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রশংসা করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ‘মহাশয়তান’ বলে উল্লেখ করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তিনি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রতি ‘অটল সমর্থন’ প্রকাশ করেছেন, অথচ একই সময়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছিলেন।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেন, মা-মেয়েকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়ায় রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন কখনোই আমাদের দেশকে এমন বিদেশি নাগরিকদের আশ্রয়স্থল হতে দেবে না, যারা আমেরিকাবিরোধী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সমর্থন করে।’
হামিদেহ সোলাইমানি আফসার ও তার মেয়ের স্থায়ী বাসিন্দা মর্যাদা বাতিলের পাশাপাশি, আফসারের স্বামীকেও আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে মার্কো রুবিও ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানির মেয়ে ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সাইয়েদ কালান্তার মোতামেদির যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থান বাতিল করেন। পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তারা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেছেন এবং তাদের ওপর স্থায়ীভাবে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান