১২ ঘণ্টার ব্যবধানে বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে দুইশোর বেশি রান উঠল। সোমবার সকালে ইতালির বিপক্ষে স্কটল্যান্ড ২০৭ রান করেছিল। রাতে সেই সংগ্রহ ছাড়িয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। তারা কানাডার বিপক্ষে ২১৩ রানের পাহাড় গড়ে।কঠিন সেই পাহাড়ে চড়তে গিয়ে হোঁচট খায় কানাডা। প্রোটিয়া বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে কানাডার ইনিংস ১৫৬ রানে থেমে যায়। তাতেই প্রথম ম্যাচে ৫৭ রানের বড় জয়ে শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ মিশন।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রোটিয়াদের দেওয়া ২১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় কানাডা।সেই শুরু, এরপর নিয়মিত বিরতিতেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। পাওয়ার প্লেতে ৪৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে কানাডা। পঞ্চম উইকেটে নবনীত ধালিওয়াল ও হর্ষ ঠাকুর মিলে ৬৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ২৯ বলে ৩৩ রান করে হর্ষ আউট হতেই ছন্দপতন ঘটে কানাডার।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানে থামতে হয় দলটিকে। দলের সেরা ব্যাটার নবনীত। তিনি ৪৯ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় খেলেন ৬৪ রানের ইনিংস।
প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে লুঙ্গি এনগিডি ৩১ রানে শিকার করেন চারটি উইকেট। এছাড়া মার্কো জানসেন দুটি উইকেট শিকার করেন।কানাডাকে অল্পতে বেঁধে রেখে ম্যাচ সেরা হন লুঙ্গি।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে কানাডার বিপক্ষে ৪ উইকেটে প্রোটিয়ারা সংগ্রহ করে ২১৩ রানের পাহাড়। মার্করাম ও কুইন্টন ডি ককের ওপেনিং জুটিতে ৪২ বলে ৭০ রান আসে। ডি কক কিছুটা রয়েসয়েই এগিয়েছেন। মার্করাম ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৬৫ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাওয়ারপ্লে শেষে ২২ বলে ২৫ রান করে থামেন ডি কক। ২৮ বলে ফিফটি হাঁকান মার্করাম। ৩২ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় সাজান ৫৯ রানের ইনিংস।
শেষ দিকে ঝড় তোলেন ত্রিস্টান স্টাবস ও ডেভিড মিলার। তাদের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ২০০ পার করে প্রোটিয়ারা। ১৯ বলে ৩৪ রান করে ক্রিজে টিকে ছিলেন স্টাবস। অন্যদিকে ২৩ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন মিলার।
কানাডার আনস প্যাটেল ৩১ রানে নেন ৩ উইকেট। বাকি একটি উইকেট নেন দিলপ্রিত বাজওয়া।