গুঞ্জন ছিল, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শাস্তির মুখে পড়তে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। শাস্তির পরিবর্তে বিসিবিকে পুরস্কৃত করছে আইসিসি।
বিশ্বকাপে না খেলায় বিসিবিকে কোনো আর্থিক, ক্রীড়াজনিত বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।আইসিসি বিবৃতিতে জানায়, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি হতাশাজনক হলেও, দেশটি এখনও ক্রিকেটের পূর্ণ সদস্য হিসেবে মর্যাদাশীল অবস্থানে রয়েছে। বিসিবি কেবল গর্বের ইতিহাসই ধারণ করে না, বরং বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আইসিসি সমর্থন অব্যাহত রাখবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিসিবি যদি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে যেতে চায়, তাহলে সেই আবেদন করার অধিকার তাদের রয়েছে বলেও মেনে নেওয়া হয়েছে।এই অধিকার আইসিসির বর্তমান নিয়মাবলীর অধীনে বিদ্যমান এবং অক্ষুণ্ণ রয়েছে। আইসিসির এই দৃষ্টিভঙ্গি নিরপেক্ষতা এবং ন্যায্যতার নীতি দ্বারা পরিচালিত এবং শাস্তির পরিবর্তে সহায়তা প্রদানের যৌথ উদ্দেশ্যই এখানে ফুটে উঠেছে।’
২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের বিষয়ে সমঝোতাও হয়েছে। ২০৩১ সালের ছেলেদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে।
তার আগে দেশের মাটিতে একটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানান, ‘সমঝোতার অংশ হিসেবে চুক্তি হয়েছে, বাংলাদেশ ২০৩১ সালের পুরুষদের আইসিসি বিশ্বকাপের আগে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে। এটি আইসিসির স্বাভাবিক আয়োজন প্রক্রিয়া ও নিয়ম অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। সিদ্ধান্তটি আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে এবং দেশে ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য অর্থপূর্ণ সুযোগ প্রদানের প্রতি আইসিসির প্রতিশ্রুতিকে জোরদার করে। আইসিসি, পিসিবি ও বিসিবি এবং অন্যান্য সদস্যরা খেলাধুলার স্বার্থে সংলাপ, সহযোগিতা ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।