জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।
শুক্রবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিজ বাসভবনে বেলা ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।
রাজধানীর বাসাবোর স্থায়ী বাসিন্দা সরকারি কর্মকর্তা আব্দুল কাইউম ভুঁইয়া এবং কবি ও কথা সাহিত্যিক মেহেরুন নাহার চৌধুরীর আট সন্তানের মধ্যে সবার বড় ছিলেন জাকারিয়া কাজল। তিনি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এরপর তিনি কমিশন র্যাংকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় আহত হলে তিনি সেনাবাহিনী ছেড়ে আসেন।
জাকারিয়া কাজল প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) ভর্তি হন ও পরে সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেন। তিনি আশির দশকে দৈনিক ইনকিলাবে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এর আগে তিনি ব্যাংকে চাকরি করেছেন।
তিনি যমুনা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য জাকারিয়া কাজল বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফিউজে) সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাবেক সভাপতি।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান, দুই জামাতা ও দুই নাতি রেখে গেছেন। তার স্ত্রী নাসরীন জেবিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। দুই মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করেন।
শনিবার বাদ জোহর জাতীয় প্রেসক্লাব ও ডিআরইউতে জানাজা শেষে জাকারিয়া কাজলকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে শুক্রবার বাদ এশা বসুন্ধরার এফ ব্লক জামে মসজিদে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।