ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নেতৃত্বের মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইতোমধ্যে ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি তার সহ-অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর মেয়াদও শেষ হয়েছে।ফলে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দুজনের নেতৃত্বের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
ওয়ানডে নেতৃত্বের মেয়াদ বাড়ানো প্রসঙ্গে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম বলেন, “ওয়ানডে অধিনায়কের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে ছিল। আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাদের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মিরাজ প্রায় পাঁচ বছর ধরে দলে রয়েছে এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্ত তার একটি স্পষ্ট ভিশন আছে।বিশ্বকাপের এখনও সময় থাকায় আমরা মনে করেছি, তাকে আরও সময় দিলে সে দলকে আরও ভালোভাবে গুছিয়ে নিতে পারবে। আমার মতে, মিরাজ ভালো কাজ করছে এবং তার অধীনে দলও উন্নতি করেছে।”
অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস ও সহ-অধিনায়ক সাইফ হাসানের ওপরই আস্থা রেখেছে বিসিবি। আগামী ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত লিটন–সাইফ নেতৃত্বে থাকবেন বলে জানিয়েছেন ফাহিম।
টি-টোয়েন্টি নেতৃত্বের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে ফাহিম বলেন, ‘আমরা জানি, আমাদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের মেয়াদ ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর কার্যত শেষ হয়েছে। তবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বর্তমান অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ককে ২০২৮ সালের পরবর্তী বিশ্বকাপ পর্যন্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
লিটনকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বিবেচনা করা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি তাকে আড়ালে রাখার জন্য নয়। সে ভালো কাজ করছে এবং তার নেতৃত্বে দল আরও উন্নতি করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি পারফরম্যান্সও তার নেতৃত্বে সন্তোষজনক ছিল।সেই আস্থা থেকেই তাকে এই দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব প্রসঙ্গে ফাহিম যোগ করেন, “আমরা মনে করি, অধিনায়কদের নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোনো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিবেচনা করেই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে—যাতে অধিনায়করা দীর্ঘ সময় ধরে দল গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।”