জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে তাওহীদ হৃদয়ের দল।ব্যাট হাতে ওপেনারদের দুর্দান্ত জুটির পর বল হাতে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই এসেছে এই জয়। ম্যাচ শেষে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় জানালেন, শুরুতেই বড় একটি জুটি গড়ার পরিকল্পনাই দলের সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে।
তাওহীদের মতে, ব্যাটিং ও বোলিং– দুই বিভাগই এদিন পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পেরেছে বাংলাদেশ, ‘ব্যাটিং ও বোলিং– দুই ইউনিটই আজ খুব ভালো করেছে। ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব নিয়ে খেলেছে।আমরা সবসময়ই জুটির কথা বলি, আর আজ শুরুতেই দারুণ একটি জুটি পেয়েছি। তাই ব্যাটিং নিয়ে আমরা খুবই সন্তুষ্ট।’
বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের ১২০ রানের উদ্বোধনী জুটি বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারালেও ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে তোলে ১৮৬ রান।
১৮৬ রানের পুঁজি নিয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিং করে বাংলাদেশ। শেখ মেহেদী হাসান, নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে চাপে রাখেন। হৃদয়ের মতে, ‘আজ আমাদের লক্ষ্য ছিল শুরুতেই উইকেট নেওয়া। বোলাররা দারুণ বোলিং করেছে। পরিকল্পনা ছিল স্ট্যাম্পে স্ট্যাম্পে বল করা, আর তারা সেটি খুব ভালোভাবে বাস্তবায়ন করেছে।’
দারুণ বোলিং করা নাহিদ ম্যাচের শেষ দিকে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। যে কারণে নিজের বোলিং কোটাও পূরণ করতে পারেননি তিনি। ড্রেসিংরুমে ফেরার আগে ২.৩ ওভার বোলিং করে ১৫ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন এই গতিতারকা।
তবে নাহিদের চোট নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক। হৃদয় বলেন, ‘আশা করি, সে ঠিক হয়ে যাবে।’