গণভোটের কোনো আইনি ভিত্তি নেই: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

গণভোটের কোনো আইনি ভিত্তি নেই: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রধান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, নবনির্বাচিত সংসদে মানুষের দৈনন্দিন কষ্ট নিয়ে কথা হচ্ছে না। কথা হচ্ছে, জুলাই, গণভোট ইত্যাদি নিয়ে। আমরা আগেই বলেছি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নাই, গণভোটের কোনো আইনি ভিত্তি নেই এগুলো বলেছিলাম। গণভোট মৌলিক বিষয় পরিবর্তনের জন্য গণভোট হয়।এ পার্লামেন্টের মাধ্যমে যা রিফর্ম করতে চান তা করা যাবে।

রোববার (০৫ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানের ইমানুয়েলন্স পার্টি সেন্টারে জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের যৌথ আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে এসব ইস্যু নিয়ে সংসদে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। তেলের দাম নিয়ে কথা বলা উচিত।আমরা বর্তমান সরকারকে সময় দিতে চাই। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশ্বের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। আমরা এ সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে চাই।

লাঙ্গল প্রতীকের বিষয়ে ব্যারিস্টার আনিসুল বলেন, কিছুদিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে লড়বো।

আশা করি এ প্রতীক আমরা পাবো। ২/৩ সপ্তাহের মধ্যে এই প্রতীক আমরা পাবো ইনশাআল্লাহ ।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পার্টির মহাসচিব জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের মুখপাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ক্ষমতায় গেলে অনেকেই অতীত ভুলে যায়। কিন্তু ব্যতিক্রম দেখলাম আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। সরকার প্রধান হয়েও, তিনি অত্যন্ত সাধারণভাবে জীবনযাপন করছেন।কোনো দম্ভ অহংকার তার মাঝে দেখা যাচ্ছে না। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে। কিন্তু তার চলাফেরা অত্যন্ত সাধারণ মানুষের মতো। রাস্তায় দাঁড়িয়েও তার সঙ্গে সাধারণ মানুষ কথা বলতে পারছেন। সকাল ৮টার মধ্যে অফিসে চলে যাচ্ছেন, কাজ করছেন রাত পর্যন্ত। যেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। একইসঙ্গে সরকারের দেড় মাসের প্রায় সব কাজই অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে।

ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় রুহুল আমিন হাওলাদার আরও বলেন, আমরা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিপরিষদকে অভিনন্দন জানাই। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি চিরতরে অবসানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ সত্যিকার অর্থেই একটি প্রতিহিংসা মুক্ত নতুন বাংলাদেশ পাবে।

ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশিদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু, কো- চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, জাতীয় পার্টি জেপি মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, জনতা পার্টি বাংলাদেশ চেয়ারম্যান ও এনডিএফের প্রধান সমন্বয়কারী গোলাম সরোয়ার মিলন, মুসলিম লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ, জাতীয় ইসলামিক জোট চেয়ারম্যান আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান টেপা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক নূরুল ইসলাম মিলন, জাহাঙ্গীর আহমেদ,
জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান মিজু, বরিশাল মহানগর সদস্য সচিব একেএম মোস্তফা, বরগুনা জেলা আহ্বায়ক মাঈনুল হাসান রাসেল, পটুয়াখালী জেলা সহ-সভাপতি মিরাজুল হক মিন্টু।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা, মাসরুর মাওলা, নাজমা আকতার, জসিম উদ্দিন ভুইয়া, মো. আরিফুর রহমান খান, সরদার শাহজাহান, ফখরুল আহসান শাহজাদা, মো. বেলাল হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক, নূরুল ইসলাম ওমর, নাজনিন সুলতানা, আমানত হোসেন আমানত, শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন।

 সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন সালু, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান দেওয়ান, অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল এম আর করিম, বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ আলমগীর হোসেন, আনোয়ার হোসেন তোতা, আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, ডা. সেলিমা খান, মিজানুর রহমান দুলাল, হাজী নাসির উদ্দিন সরকার, সেকান্দর আলী সেরনিয়াবাত, এম এ ইউসুফ, যুগ্ম মহাসচিব এস এম হাসেমসহ জাতীয় পার্টি ও এনডিএফ বিভিন্ন স্থরের নেতারা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS