আসন্ন ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতে গ্রাহকদের নগদ অর্থের প্রয়োজন মেটাতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে তাদের এটিএম ও সিআরএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
পাশাপাশি পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যানসিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি।
সোমবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, ঈদের ছুটির সময় যেন গ্রাহকরা কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন, সেজন্য ব্যাংকগুলোকে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিন ঈদের ছুটি থাকবে এবার। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
এই সময়ে নগদ টাকার প্রয়োজন মেটাতে তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, সার্বক্ষণিক এটিএম সেবা নিশ্চিত করতে হবে; এটিএম বুথে কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুততম সময়ে সমাধান করতে হবে; পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে; বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরিদের সতর্ক অবস্থানসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) এর ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক পিওএস সেবা নিশ্চিত করা এবং জাল-জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট এবং গ্রাহককে সচেতন করতে হবে।
ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনের ক্ষেত্রে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে।
মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী সব ব্যাংক এবং তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া ঈদের ছুটি চলাকালীন সময়ে যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে; ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সব ধরনের পরিশোধ সেবার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সতর্ক করতে প্রচার প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে। গ্রাহককে সার্বক্ষণিক হেল্প লাইন সহায়তা দিতে হবে এবং আগের জরি করা এ সংক্রান্ত পরিপত্রের নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে।