জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে লাঠির আঘাতে প্রতিবেশী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সেই লাশ দেখতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রন্ত হয়ে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম।
এর আগে সোমবার (২৩ মার্চ) রাত প্রায় ৯টার দিকে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের ডোলভিটি পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের ডোলভিটি পূর্বপাড়া গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে সোহেল রানা (৩৫) এবং সেকেন্দার আলীর ছেলে মঞ্জু মিয়া (৪০)। তারা একই গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকার লিটন মিয়ার মেয়ে শিলা আক্তারের সঙ্গে প্রায় এক মাস আগে চাপারকোনা গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে রনি মিয়ার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন হয়।কাবিনের পর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন রাতে স্ত্রীকে নিতে রনি মিয়া তার শ্বশুরবাড়িতে গেলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। তা নিয়ন্ত্রণে আনতে এগিয়ে গেলে প্রতিবেশী সোহেল রানা লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ধান ক্ষেতে পড়ে যান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে, সোহেল রানার লাশ দেখতে গিয়ে মঞ্জু মিয়া নামে একজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সোহেল রানার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত লিটন মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, বিয়ের বিষয় নিয়ে সালিশ বৈঠকে মারামারি হয়। এ ঘটনায় সোহেল রানা নামে একজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।অন্যজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় মামলা হয়নি।