ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের ফুটবল খেলা এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে করা নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং সাবেক জাতীয় গোলরক্ষক আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক ও অপব্যাখ্যার পর একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং অনভিপ্রেত এ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
নিজের দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে আমিনুল হক জানান, তার মন্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার পাশাপাশি তার ক্রীড়া প্রতিভার বিষয়টি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান বিতর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাইমা রহমানের ফুটবল অনুরাগ এবং চেলসির বয়স-ভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত আমার একটি আলোচনাকে কেন্দ্র করে যে ধরনের বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত।
বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে স্পষ্ট করতে চাই যে, আমার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার পাশাপাশি তার ক্রীড়া প্রতিভার বিষয়টি তুলে ধরা। এটি একটি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা ছিল, যাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার কোনো অবকাশ নেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া হাস্যরস ও সমালোচনার জবাবে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান সাবেক এ তারকা ফুটবলার। স্ট্যাটাসের শেষ অংশে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়ে লেখেন, আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করছি, একটি ব্যক্তিগত বক্তব্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা না করার জন্য।তথ্যগত বিভ্রান্তি বা আমার বক্তব্যে কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
সম্প্রতি একটি আলোচনায় আমিনুল হক স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন দারুণ ফুটবল খেলতেন এবং গোলরক্ষক হিসেবে চেলসির বয়সভিত্তিক দল থেকে ডাক পেয়েছিলেন। তবে পরিবার তাকে পেশাদার ফুটবলের চেয়ে পড়াশোনায় বেশি মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয়। এ বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই বিষয়টিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করেন, যার প্রেক্ষিতেই এ ব্যাখ্যামূলক স্ট্যাটাস দিলেন তিনি।