ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন কাশ্মীর সংহতি দিবস উদযাপন করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হাইকমিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঢাকার পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের সদস্য, বাংলাদেশের ছাত্র, মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী, সাংবাদিক এবং শিক্ষাবিদরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দারের পাঠানো বার্তায় উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান কাশ্মীরিদের তাদের অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত নৈতিক, রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রাখবে। স্থানীয় ছাত্র, মানবাধিকার কর্মী এবং আইনজীবী সমাজের সদস্যরাও এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, গত বছরের মে মাসে ভারত কর্তৃক শুরু করা বিপজ্জনক সামরিক উত্তেজনা একটি স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেয় যে জম্মু ও কাশ্মীর বিরোধের সমাধান না হলে দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই শান্তি একটি দূরের স্বপ্নই থেকে যাবে। তারা কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকার জন্য ভারতকে আহ্বান জানান। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে উল্লেখিত জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু গণভোটের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীর বিরোধ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিও আহ্বান জানান।
ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার নির্যাতিত কাশ্মীরি ভাইবোনদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশের জন্য অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।