রূপচর্চায় ভেষজ গুণসম্পন্ন আমলকী

রূপচর্চায় ভেষজ গুণসম্পন্ন আমলকী

অতি পরিচিত একটি ফল আমলকী। ছোট এই ফলের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু ওষুধি গুণ। আমলকীর জাদুকরী গুণাগুণ ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে পারে সহজেই।

আসুন জেনে নিই রূপচর্চায় ভেষজ গুণসম্পন্ন আমলকী ব্যবহারের কিছু টিপস-

ব্রণের দাগ দূর করে: প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়তা করে আমলকী।

আমলকীর রস মুখে মেখে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে নিতে হবে হালকা গরম পানিতে। অনুভূতিপ্রবণ ত্বক হলে আমলকীর রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন সামান্য পানি। ভালো ফলের জন্য ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত।

মরা ত্বক থেকে মুক্তি: স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে আমলকীর রস।এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক সজীব ও টানটান করতে সহায়তা করে। এক চামচ আমলা পাউডার গরম পানিতে মিশিয়ে তৈরি করা পেস্ট মুখ স্ক্রাব করতে হবে। স্ক্রাব করার পাঁচ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলেই হয়ে গেল। এই পেস্টের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে নিলে ভালো ফরাফল পাওয়া যায়।

চুল পড়া রোধে: চুল পড়া বন্ধ করতে আমলকী বেশ কার্যকর। প্রয়োজনীয় পরিমাণ শুকনো আমলকী পানিতে নিয়ে গরম করতে হবে। আমলকী ভালোভাবে সেদ্ধ হলে তা চটকে পেস্ট করে নিতে হবে। এই পেস্ট চুলের গোড়া ও পুরো চুলে লাগিয়ে কিছু সময় রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করতে হবে এই প্যাক।

ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর জন্য শুধু আমলকীর রসও ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে আমলকীর রস চুলে লাগিয়ে আধাঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিতে হবে।

ঘরোয়াভাবে যেভাবে আমলকীর তেল তৈরি করবেন-
তেল তৈরির জন্য প্রয়োজন টাটকা আমলকী ও নারকেল তেল। প্রথমে এক কাপ আমলকী ভালোভাবে ধুয়ে বিচি ছাড়িয়ে নিয়ে মিক্সারে গুড়ো করে নিতে হবে। এতে পানি ব্যবহার করা যাবে না।

এরপর একটি পাত্রে এক কাপ নারকেল তেল চুলায় গরম করতে দিতে হবে। তেল গরম হলে এতে দিয়ে দিতে হবে আমলকীর গুড়ো।
আমলকীর গুড়ো মিশ্রিত নারকেল তেল ফুটে ওঠার ১০-১৫ মিনিট পর তেল চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে কাঁচের জারে রাখতে হবে।
এই তেল চুলের গোড়া ও চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে নিতে হবে ভালো ব্র্যান্ডের মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS