News Headline :
নরসিংদীতে ফেয়ার ইলেকট্রনিকসের কারখানা ঘুরে দেখলেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় কী এমন শিখেছিলেন নোলান! এখন তাঁর সিনেমার আয় ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, পদ ১৯৭ জুলাইয়েই ভেরিফিকেশন রিপোর্ট, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে কিছুটা অগ্রগতি ঢকঢক করে নয়, ধীরে পানি পান করুন ৯ বছর পূর্তিতে ‘উডহাউস গ্রিল’দিচ্ছে ২২ শতাংশ ছাড় প্রেম ভাঙতেই অভিনেতাকে ‘জুতাপেটা’ করলেন অভিনেত্রী! বিয়ে করলেন বিশ্বখ্যাত ইউটিউবার মিস্টার বিস্ট ১৮ বছর পর একক অ্যালবাম নিয়ে ফিরছেন আতিফ আসলাম রাতে হোটেলে একা দেখা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল অভিনেত্রীকে!
সিরিজ জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ

সিরিজ জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শুরুটা ছিল পুরোপুরিই আয়ারল্যান্ডের দখলে। তবে শেষ হাসি হাসে বাংলাদেশই। আইরিশদের ১৭০ রানের ইনিংসের বিপরীতে ২ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয় লিটন বাহিনী। 


পাওয়ারপ্লেতে পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচকে একতরফা গতিতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। স্টার্লিং মাত্র ১৪ বলে ২৯ রান করে বাংলাদেশের বোলিংকে চাপে ফেলেন। এরপর টিম টেক্টর ২৫ বলে ৩৮ রান করে রানরেট ধরে রাখেন। এ দুই ব্যাটারের আক্রমণ দেখে মনে হচ্ছিল আইরিশ স্কোর সহজেই ১৮০-১৯০ ছুঁয়ে ফেলবে।

কিন্তু এখানেই ম্যাচের ছবি বদলে দিতে শুরু করেন মাহেদি হাসান। টপ অর্ডারের ঝড় থামানোর দায়িত্বটা তিনি নিজের হাতে তুলে নেন। তার ভ্যারিয়েশন, শার্প লাইন-লেন্থ ও বলের ঠিকঠাক ব্যবহার করার কৌশলে বিভ্রান্ত করতে থাকেন ব্যাটারদের। প্রথমে টিম টেক্টর, এরপর হ্যারি টেক্টর পরপর দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পড়ে ম্যাচে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ফিরে আসে। এই সময় আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের গতি বেশ কমে যায়, যা শেষ পর্যন্ত তাদের মোট সংগ্রহ ১০-১৫ রান কমিয়ে রাখে।


লোরকান টাকার একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ৩২ বলে ৪১ রানের লড়াকু ইনিংস খেললেও তাকে সাপোর্ট দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। স্টার্লিং-টেক্টরের আগ্রাসনের পর মাঝের ওভারগুলোতে সঠিকভাবে স্ট্রাইক রোটেশন এবং পার্টনারশিপ ধরে রাখতে না পারাই আয়ারল্যান্ডকে পিছিয়ে দেয়। তাদের ইনিংসে ছন্দ ছিল, আগ্রাসন ছিল, কিন্তু স্থায়িত্ব ছিল না। এটাই বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।


১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুটা ভালোভাবে বুঝেশুনে করে। ব্যাটসম্যানরা ঝুঁকি না নিয়ে সময় নিয়ে কন্ডিশন বুঝে খেলতে থাকেন। মাঝপথে একাধিক উইকেট পড়ে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও খেই হারায়নি বাংলাদেশ। ব্যাটসম্যানরা সিঙ্গেল-ডাবল নিয়ে প্রয়োজনীয় রানরেট নিয়ন্ত্রণে রাখেন।


যদিও ইনিংসের ২৬ রানে ওপেনার তানজিদ হাসানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে লিটন দাস ও পারভেজ হোসেন ইমন দুর্দান্তভাবে রানের খাতা সচল রাখেন। ইমন ২৮ বলে ৪৩ রান করে আউট হলেও লিটন ফিফটি তোলেন। ৩ চার ও ৩ ছয়ে ৩৭ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ৫৭ রান।

এরপর যদিও সাইফ হাসানের ২২ ছাড়া উল্লেখযোগ্য রান আসেনি৷ তবে ফিনিশারের ভূমিকায় ছিলেন সাইফুদ্দিন। তার আগ্রাসী ৭ বলে অপরাজিত ১৭ রানের ইনিংস বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে। শেষ কয়েক ওভারে বাংলাদেশ খুব ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলায়। শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ক্রিকেট খেলে রোমাঞ্চ জয়ের মাধ্যমে সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS