বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সামুদ্রিক যোগাযোগ জোরদারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর ও থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি নৌ যোগাযোগ স্থাপনে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
থাইল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়।
এমওইউ দুটি স্বাক্ষর করে এফকে লাইন ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ কোং লিমিটেড এবং বাংলাদেশের বেঙ্গল ওশেনিক লিমিটেড ও সুইফট সি শিপিং লাইনস।
বুধবার (১৯ আগস্ট) থাইল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানায় এমওইউ অনুযায়ী, বাংলাদেশে এফকে লাইন ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের পোর্ট এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে বেঙ্গল ওশেনিক লিমিটেড এবং সেলস এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে সুইফট সি শিপিং লাইনস।
সরাসরি এই সামুদ্রিক যোগাযোগ চালু হলে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়বে।
এ উদ্যোগ শুধু দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণেই নয়, বরং আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের সংযোগ বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।