২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ আমদানির মাধ্যমে দেশে ইউরিয়া সারের সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে এ সার আমদানি করা হবে।
সরকারি অর্থে আমদানি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
সভায় উপস্থাপিত প্রস্তাবে বলা হয়, অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনক্রমে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় প্রতিবছর ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করা হয়।২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে করা চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ জুলাই শেষ হয়েছে।
এর আগে গত ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের সঙ্গে সার আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদন চাওয়া হয়।তবে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং গ্রহণ করে প্রস্তাবটি পুনরায় উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ভেটিং সম্পন্ন করে সংশোধিত প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়।
সরকারি সূত্র জানায়, দেশের কৃষি উৎপাদনের জন্য ইউরিয়া সারের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে সরবরাহব্যবস্থায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরের নীতিগত অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল।
চুক্তিতে নির্ধারিত পরিমাণের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরিয়া সার আমদানির সুযোগও রাখা হয়েছে। এর ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী চুক্তিবদ্ধ পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত সার আমদানির সুযোগ থাকবে।