বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে শক্তিশালী ভিয়েতনামের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় নেমেছিল। তবে সেই পরীক্ষায় উৎরাতে পারেননি হামজা চৌধুরীরা। হ্যাং ডে স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে হজম করা তিন গোলই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। কামব্যাক করার আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলেই হার মানতে হয় লাল-সবুজদের।
বাংলাদেশ একাদশ সাজিয়েছিল পাঁচ প্রবাসী ফুটবলার নিয়ে। হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, তারিক কাজী, জায়ান আহমেদ ও ফাহমিদুল ইসলাম প্রথমার্ধে খেলেছে। তবে স্বাগতিক ভিয়েতনাম দলের আধিপত্যের কারণে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ হেলাফেলা হয়ে যায়।
ম্যাচের ৮ মিনিটে ভিয়েতনামের তুয়ান হাই প্রথম গোলটি করেন।১৮ মিনিটে দো দুই মাহন দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বিরতির ঠিক আগে এনগুয়েইন হাই লং আরও একটি দুর্দান্ত ড্রিবল এবং শটে জাল কাঁপিয়ে স্কোর ৩-০ করেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ চেষ্টা করলেও ভিয়েতনামের আক্রমণ প্রতিহত করতে পারেননি।
প্রথমার্ধে তিন গোল হজমের পর দ্বিতীয়ার্ধে ৫-৩-২ ছকে খেলতে শুরু করে বাংলাদেশ।
রক্ষণ সামলানোর আপ্রাণ চেষ্টা চলে। দ্বিতীয়ার্ধে ভিয়েতনাম বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ করলেও গোলরক্ষক শ্রাবণ দৃঢ়তা দেখান। ৫২ মিনিটে রাফায়েলসনের একটি ভালো সুযোগ ঠেকানোর পর ৬৯ মিনিটে খুয়াত ভ্যান খাংয়ের শটও প্রতিহত করেন তিনি। একই মিনিটে হামজার ভুল পাস থেকে তৈরি হওয়া সুযোগে নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
৫৫ মিনিটে রক্ষণ সামলাতে গিয়ে ফাউল করায় হলুদ কার্ড দেখেন সাদ উদ্দিন।অন্যদিকে, ৬০ মিনিটে বদলি নেমে শাহরিয়ার ইমন একটি পাল্টা আক্রমণ থেকে শট নিলেও প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার তা আটকে দেন।
ম্যাচের শেষ দিকে কিছুটা চাপ তৈরি করার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। ৮৭ মিনিটে টানা দুটি কর্নার পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি হামজারা। বরং ৮৮ মিনিটে ভিয়েতনামের দো হোয়াং হেনের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসায় গোল হজম থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধের তিন গোলেই নির্ধারণ হয় ফলাফল।