রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটিকে টেনে তোলার চেষ্টা করা করা হচ্ছে। কিন্তু এখনো বাসটি দৃশ্যমান হয়নি। দুর্ঘটনার পর সেখানে ঝড়বৃষ্টির কারণে উদ্ধার কার্যক্রমও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার এ তথ্য জানিয়েছেন।
শাহজাহান বলেন, বাসটি পানির ৩০ ফুট নিচে আছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা এসেছে। হামজার সঙ্গে বাসটিকে রশি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ঝড়বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজে কিছুটা বাধা এসেছিল।এখন বাসটিকে টেনে তোলা হচ্ছে। কিন্তু এখনো দৃশ্যমান হয়নি বাসটি। আশা করছি, ২০-৩০ মিনিটের মাঝে দৃশ্যমান হবে বাসটি।
এসময় তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস এখনো কাউকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারেনি।
বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।
সন্ধ্যায় রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল মোবাইল ফোনে বাংলানিউজকে বলেন, কিছুক্ষণ আগে দুই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম চলমান আছে।
যে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তার হলেন রাজবাড়ীর ভবানীপুর এলাকার রেহেনা বেগম (৬০) এবং মর্জিনা বেগম (৫৫)। চিকিৎসাধীন আছেন নুসরাত (২৯) নামের এক নারী।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।এর মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।