পবিত্র ঈদুল ফিতরের মহিমান্বিত ও আনন্দঘন মুহূর্তে দেশের সর্বস্তরের নাগরিক, আলেম সমাজ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং জাতীয় পার্টিসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।
বুধবার (১৮ মার্চ) এক শুভেচ্ছা বার্তায় জাতীয় পার্টির নেতারা বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত ও বরকতের মাস পবিত্র রমজান শেষে আমাদের মাঝে এসেছে ঈদুল ফিতর। এক মাসের সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আমরা সংযম, ত্যাগ, ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানবিকতার যে শিক্ষা অর্জন করেছি, সেই শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিজীবন, সমাজ জীবন ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
শুভেচ্ছা বার্তায় তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, পবিত্র সিয়াম সাধনা থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সব মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার আন্তরিকভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।
নেতারা বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদেরকে আদর্শ জীবনের মূল্যবোধ, মানুষের প্রতি মানুষের কর্তব্য, ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও ঐক্যের শিক্ষা দেয়। আসুন, আমরা হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেই। একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাই মিলেমিশে কাজ করি।
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে স্মরণ করে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, এ দেশের মানুষের কল্যাণে, বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করেছেন প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও উন্নয়নমুখী দেশ পরিচালনা, গণতান্ত্রিক রাজনীতি আজও আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। পল্লীবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করেই জাতীয় পার্টি দেশের মানুষের অধিকার, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পক্ষে রাজনীতি করে যাচ্ছে। আমাদের জাতীয় জীবনে বয়ে আনুক অফুরন্ত সুখ, শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির বার্তা।
তারা আরও বলেন, পরম করুণাময় আল্লাহ আমাদের দেশ ও জাতিকে আরও অগ্রগতি ও কল্যাণের পথে এগিয়ে নেওয়ার তৌফিক দান করুন।