প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্ভোগ কমিয়ে সেবা বিমানের জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সাক্ষাৎকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমানের সেবা যাতে জনসাধারণের স্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে ধরনের কাজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য ইতোমধ্যেই আগে এক গেট ছিল যাত্রীদের জন্য, যেখানে আটটি বেল্টের লোক একটা গেট দিয়ে বের হতো, স্ক্যানার মেশিনও একটি ছিল। আমরা ইতোমধ্যেই দুইটি গেট করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন—প্রয়োজনে তিনটি করে গেট করা হোক, যাতে যাত্রীদের লাগেজ নিয়ে বের হওয়া সহজ হয় এবং ভিড় কমে।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত আরও বলেন, মন্ত্রণালয় চেষ্টা করছে বিমানের বোর্ড ও ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের।বিমানের বাইরে থেকে সিইও হায়ার করে বাইরের আদলে আমরা কিছু করতে পারি, যাতে জনসেবায় স্কিল বৃদ্ধি পায় এবং বাইরের এয়ারলাইন্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারি।
সারচার্জ কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা দেখছি কীভাবে সব টিকিটের দাম সহনীয় রাখা যায়। কিছুদিনের মধ্যেই যাত্রীরা পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। আগে আইন-কানুন মেনে কিছু করা হয়নি, এখন আমরা নতুন ফরমেশন দিয়ে সঠিক ব্যবস্থা করছি।
তিনটি গেট কত দিনের মধ্যে চালু হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাচাই-বাছাই প্রয়োজন কারণ এয়ারপোর্টের আকার বড় নয়। স্ক্যানার মেশিনসহ প্রয়োজনীয় লজিস্টিক এনবিআর থেকে আনা হবে।
যুদ্ধের কারণে কিছু রুট বন্ধ থাকা নিয়ে পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি জানান, আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যেই চারটি রুট চালু হয়েছে—জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাসকট।দুবাই চালু করা সম্ভব কি না, তা পরিস্থিতি অনুযায়ী দেখা হবে। আমরা নিয়মিত বসে এগুলো নিয়ে আলোচনা করছি।