বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা আছে রিশাদেরও

বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা আছে রিশাদেরও

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ। ফলে ক্রিকেটারদের মধ্যেও কাজ করছে হতাশা। যদিও অনেকেই প্রকাশ্যে সেই অনুভূতি জানাতে পারছেন না! কেউ কেউ আবার স্বল্প কথায় বুঝিয়ে দিচ্ছেন মনের অবস্থা।লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনও ঠিক সেটাই করলেন-সংক্ষিপ্ত বক্তব্যেই লুকাতে পারলেন না নিজের হতাশা!

২০ দলের বিশ্বকাপ বাদ দিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা অংশ নিচ্ছেন তিন দলের টি–টোয়েন্টি কাপে। বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে লিটন দাসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ধুমকেতু একাদশ। সেই দলে আছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। প্রথম ম্যাচেই ইমপ্যাক্ট বোলিং করে নজর কেড়েছেন তিনি।আকবর আলীর নেতৃত্বাধীন দুরন্ত একাদশের বিপক্ষে ম্যাচে ২১ রানে তিন উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে দেন রিশাদ। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্বল্প কথায় জানালেন বিশ্বকাপ না খেলতে পারার হতাশার কথা।

সংবাদ সম্মেলনে তাকে প্রশ্ন করা হয়, বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় হতাশা কাজ করছে কি না। উত্তরে রিশাদ উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘আপনারা কি হতাশ?’ সাংবাদিক হতাশার কথা জানালে রিশাদ সংক্ষেপে বলেন, ‘আমারও একই।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে নিজের প্রথম আসরেই হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে চোখে পড়ার মতো পারফরম্যান্স করেন রিশাদ। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই বল হাতে প্রভাব রেখেছেন এই লেগ স্পিনার। দল ফাইনালে উঠতে না পারলেও শীর্ষে থাকতে বড় অবদান ছিল তার। ১২ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে বিগ ব্যাশে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন রিশাদ। টুর্নামেন্ট শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট।প্রথম মৌসুমেই প্রায় সব ম্যাচ খেলতে পেরেছি, এটা আমার জন্য খুব ভালো অভিজ্ঞতা ছিল।’

বাংলাদেশের ক্রিকেট বাস্তবতায় লেগ স্পিনারদের খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না। সেই দিক থেকে রিশাদ হোসেন ব্যতিক্রম। যদিও ক্যারিয়ারের শুরুতে তার পথচলা সহজ ছিল না। বহু ম্যাচে বেঞ্চে বসেই কাটাতে হয়েছে সময়। তবুও মানসিকভাবে শক্ত থেকেছেন তিনি, তাকিয়ে ছিলেন ভবিষ্যতের দিকে। আজকের জায়গায় পৌঁছানোর পেছনে সেই সময়টার বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন রিশাদ। 

তার ভাষায়, ‘‘যখন খেলতে পারতাম না, সেই সময়টাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় লার্নিং ছিল। নিজেকে বোঝার এবং নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS