২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিশ্ব ক্রিকেটে বইছে অস্থিরতার হাওয়া। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ইস্যুতে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কট এবং পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রীড়াঙ্গনে বড় এক অস্বস্তি তৈরি করেছে।
খেলার মাঠে রাজনীতির এই নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে এবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক রশিদ খান।
সম্প্রতি ‘স্পোর্টস তাক’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রশিদ খান জানান, খেলাধুলার মূল সৌন্দর্যই হলো মানুষের মধ্যে একতা তৈরি করা।
তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলেন ক্রিকেট ও রাজনীতি মেশানো উচিত না। যদি মেশানো উচিত না হয়, তবে সেটা এড়িয়ে চলাই ভালো। আমার মনে হয় সবার মধ্যেই স্পোর্টিং মানসিকতা থাকা উচিত।’
তবে বিষয়টি সরাসরি তার দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট না হওয়ায় এ নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে কিছুটা সীমাবদ্ধতাও প্রকাশ করেন এই লেগ স্পিনার।
রশিদ খানের মতে, খেলাধুলা এমন এক শক্তি যা বিভিন্ন দেশকে এক সুতায় গেঁথে দেয়। তিনি যোগ করেন, ‘আমরা সবসময় বলি, খেলাধুলার মাধ্যমে একতা বাড়ে। সব দেশগুলো এক জায়গায় আসে, এটাই খেলাধুলার আসল মজা। আমি এই সৌন্দর্যটি ভালোবাসি।
নিজের দেশের উদাহরণ টেনে রশিদ বলেন, আফগানিস্তানের জন্য খেলাধুলা যা করেছে, তা অন্য কোনো মাধ্যম করতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘খেলার কারণেই বিশ্বব্যাপী আমাদের দেশের নাম ছড়িয়েছে। এখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে গিয়ে আফগানিস্তানের নাম বললে মানুষ ক্রিকেটের কথা বলে, ক্রিকেটারদের নাম নেয়। এটাই আমাদের বড় পাওয়া।’
বিশ্বকাপ নিয়ে যখন ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক লড়াই চলছে, তখন রশিদ খানের এই ‘শান্তির বার্তা’ ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।