News Headline :
বাংলাদেশিদের চাকরির প্রতিশ্রুতিতে ইউক্রেন যুদ্ধে যেতে বাধ্য করছে রাশিয়া সেই শিশুটি এখন বড় তারকা, ১২০ মিলিয়ন ডলারের মালিক নতুন চমক নিয়ে আসছেন আলিয়া সকালে কালো কিশমিশ খেলে যেসব উপকার হতে পারে ‘ভারতের জন্য এক নিয়ম, বাংলাদেশের জন্য আরেক’, ইংলিশ কিংবদন্তির ক্ষোভ সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার নাটকীয় লড়াইয়ে জেভেরেভকে হারিয়ে ফাইনালে আলকারাস বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা: অ্যালেক্স মার্শাল চীনে মিয়ানমারের মিং পরিবারের ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর মার্কিন সামরিক নৌবহর এগোতেই যুদ্ধের প্রস্তুতিতে ইরান চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা খুব বিপজ্জনক: ট্রাম্প
লিকুইডেশন নয়, পুনরুদ্ধারের সুযোগ চায় ইন্টারন্যাশনাল লিজিং

লিকুইডেশন নয়, পুনরুদ্ধারের সুযোগ চায় ইন্টারন্যাশনাল লিজিং

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড সরাসরি লিকুইডেশনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও ঋণ আদায়ের মাধ্যমে আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে আদালত কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক এ অবস্থান তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুর্বল আর্থিক অবস্থার কারণে সরকার নীতিগতভাবে নয়টি লিজিং কোম্পানি বন্ধ বা লিকুইডেশনের সিদ্ধান্ত নিলেও তাদের ক্ষেত্রে সরাসরি লিকুইডেশনই একমাত্র সমাধান নয়। কারণ এতে হাজারো সাধারণ আমানতকারীর কষ্টার্জিত অর্থ ঝুঁকিতে পড়বে।

বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সংকটের মূল কারণ কয়েকজন বড় ঋণগ্রহীতার দীর্ঘদিনের ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হওয়া। এ খেলাপি ঋণই তারল্য সংকটের প্রধান উৎস। 

সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে জানানো হয়, কোনো ঋণখেলাপিকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। আদালতের মাধ্যমে ঋণ আদায়ের কার্যক্রম চলছে এবং প্রয়োজনে সম্পদ জব্দ ও বিক্রয়সহ সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।আদায় করা অর্থ ধাপে ধাপে আমানতকারীদের পরিশোধে ব্যবহার করা হবে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের বোর্ড জানায়, প্রতিষ্ঠানটি এখনই লিকুইডেশনে গেলে প্রকৃতপক্ষে বড় ঋণখেলাপিরাই সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে। দীর্ঘ লিকুইডেশন প্রক্রিয়ায় অনেক ঋণ আদায় অনিশ্চিত হয়ে পড়বে এবং সাধারণ আমানতকারীরা দ্রুত টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ হারাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বর্তমান বোর্ড দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ার পেছনে একটি স্বার্থান্বেষী চক্রের অসহযোগিতা ভূমিকা রেখেছে।

এ চক্র বড় ঋণখেলাপিদের স্বার্থ রক্ষায় ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

বোর্ড জানায়, নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পর ঋণ নথি পর্যালোচনা ও আইনি কার্যক্রমে গতি এসেছে। এসময় থেকেই চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান বোর্ড আদালতের নির্দেশনায় গঠিত এবং পূর্ণ স্বচ্ছতা ও আইনি কাঠামোর মধ্যেই কাজ করছে। নতুন কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করা হচ্ছে না; বরং সম্পদ সংরক্ষণ, ব্যয় সংকোচন এবং পাওনা আদায়ই অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং জানায়, প্রতিষ্ঠানটি হাইকোর্টে আবেদন করে ৬০ দিনের সময় চেয়েছে। এসময়ে একটি স্বনামধন্য পেশাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক বিশ্লেষণ করা হবে, যাতে পুনর্গঠন সম্ভব কি না এবং কত টাকা বাস্তবভাবে আদায়যোগ্য-তা নির্ধারণ করা যায়।

সবশেষে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি এখনই বন্ধ না করে পুনর্গঠনের সুযোগ দিলে আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে এবং বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS