জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩
২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা সিনেমা নির্বাচিত হয়েছে সাঁতাও; সিনেমাটির নির্মাতা খন্দকার সুমন সেরা পরিচালক হয়েছেন। এটি সুমনের প্রথম সিনেমা। সিনেমাটি মোট চারটি পুরস্কার পেয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাতে এক প্রজ্ঞাপনে ২৮ বিভাগে ৩০ চলচ্চিত্র, শিল্পী ও কলাকুশলীর নাম ঘোষণা করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

‘সুড়ঙ্গ’ অভিনেতা আফরান নিশো সেরা অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। রায়হান রাফী পরিচালিত সিনেমাটি দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে নিশোর। ‘সুড়ঙ্গ’ আট বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে।
‘সাঁতাও’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাচ্ছেন আইনুন পুতুল, এবারই প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।
যুগ্মভাবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন প্রয়াত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও প্রয়াত চিত্রগ্রাহক আবদুল লতিফ বাচ্চু।
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে পুরস্কার পাচ্ছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেতা মনির আহম্মেদ শাকিল (সুড়ঙ্গ), সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা (ওরা সাত জন), সেরা অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে আশীষ খন্দকার (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন), সেরা অভিনেতা/অভিনেত্রী কৌতুক চরিত্রে শহীদুজ্জামান সেলিম (সুড়ঙ্গ), সেরা শিশুশিল্পী মো. লিয়ন (আম কাঁঠালের ছুটি), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার আরিফ হাসান (আম কাঁঠালের ছুটি)।
সেরা সংগীত পরিচালক ইমন চৌধুরী (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন), সেরা নৃত্য পরিচালক হাবিবুর রহমান (লাল শাড়ি), সেরা গায়ক বালাম (ও প্রিয়তমা), প্রিয়তমা; সেরা গায়িকা অবন্তী দেব সিঁথি, (গোটা পৃথিবীতে খুঁজো…এ গাঁ ছুঁয়ে বলো), সুড়ঙ্গ; সেরা গীতিকার সোমেশ্বর অলি (ঈশ্বর), প্রিয়তমা; সেরা সুরকার প্রিন্স মাহমুদ, (ঈশ্বর) প্রিয়তমা।
সেরা কাহিনিকার ফারুক হোসেন (প্রিয়তমা),সেরা চিত্রনাট্যকার নিয়ামুল মুক্তা (রক্তজবা), যুগ্মভাবে সেরা সংলাপ রচয়িতা রায়হান রাফী ও সৈয়দ নাজিম উদ দৌলা (সুড়ঙ্গ)।
সেরা সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ (ওরা সাত জন), সেরা শিল্প নির্দেশক শহীদুল ইসলাম (সুড়ঙ্গ), সেরা চিত্রগ্রাহক সুমন কুমার সরকার (সুড়ঙ্গ), সেরা শব্দগ্রাহক সুজন মাহমুদ (সাঁতাও), সেরা পোশাক ও সাজসজ্জা বীথি আফরীন (সুড়ঙ্গ) ও সেরা মেকআপম্যান সবুজ (প্রিয়তমা)।
সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র চৈত্রালী সমদ্দারের মরিয়ম, সেরা প্রামাণ্যচিত্র এলিজা বিনতে এলাহীর লীলাবতী নাগ: দ্য রেবেল।
একনজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩
আজীবন সম্মাননা: তারেক মাসুদ, চলচ্চিত্রকার ও আবদুল লতিফ বাচ্চু, চিত্রগ্রাহক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: ‘সাঁতাও’, খন্দকার সুমন
শ্রেষ্ট স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ‘মরিয়ম’, চৈত্রালী সমদ্দার
শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: ‘লীলাবতী নাগ: দ্য রেবেল’, এলিজা বিনতে এলাহী
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক: খন্দকার সুমন, ‘সাঁতাও’
শ্রেষ্ঠ অভিনেতা: আফরান নিশো, ‘সুড়ঙ্গ’
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী: আইনুন পুতুল, ‘সাঁতাও’
পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা: মনির আহাম্মেদ শাকিল, ‘সুড়ঙ্গ’
পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী: নাজিয়া হক অর্ষা, ‘ওরা সাত জন’
খল চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী: আশীষ খন্দকার, ‘আডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’
শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা/অভিনেত্রী: শহীদুজ্জামান সেলিম, ‘সুড়ঙ্গ’
শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: মো. লিয়ন, ‘আম কাঁঠালের ছুটি’
শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার: আরিফ হাসান আনাইরা খান, ‘আম কাঁঠালের ছুটি’
শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: ইমন চৌধুরী, ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’
শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: হাবিবুর রহমান, ‘লাল শাড়ি’
শ্রেষ্ঠ গায়ক: বালাম, ‘ও প্রিয়তমা’, ‘প্রিয়তমা’
শ্রেষ্ঠ গায়িকা: অবন্তী সিঁথি, ‘গোটা পৃথিবীতে খুঁজো…এ গাঁ ছুঁয়ে বলো’, ‘সুড়ঙ্গ’
শ্রেষ্ঠ গীতিকার: সোমেশ্বর অলি, ‘ঈশ্বর’, ‘প্রিয়তমা’
শ্রেষ্ঠ সুরকার: প্রিন্স মাহমুদ, ‘ঈশ্বর’, ‘প্রিয়তমা’
শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: ফারুক হোসেন, ‘প্রিয়তমা’
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: নিয়ামুল মুক্তা, ‘রক্তজবা’
শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: রায়হান রাফী ও সৈয়দ নাজিম উদ দৌলা, ‘সুড়ঙ্গ’
শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: মো. সালাহ উদ্দিন আহমেদ বাবু, ‘ওরা সাত জন’
শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক: শহীদুল ইসলাম, ‘সুড়ঙ্গ’
শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: সুমন সরকার, ‘সুড়ঙ্গ’
শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: সুজন মাহমুদ, ‘সাঁতাও’
শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা: বীথি আফরীন, ‘সুড়ঙ্গ’
শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান: সবুজ, ‘প্রিয়তমা’