News Headline :
বাবা-মেয়ের সিনেমা ‘কিং’, কাজের অগ্রগতি কতদূর? ছাগল–কাণ্ডে আলোচিত মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পিছিয়েছে অস্ত্রোপচার শেষে আইসিইউতে অমিতাভ! এখন কেমন আছেন অভিনেতা? কেন সারা বছর সানগ্লাস ব্যবহার জরুরি কাবলি ছোলার উপকারিতা ফাইনালের হাফটাইম শোয়ে কত টাকা পেলেন শাকিরা, বিবার, ম্যাডোনারা – বিশ্বকাপ ফুটবল বাগদানের পর পাকিস্তানে, হবু বরের দেশে নিয়ে রহস্য বাড়ালেন নীহা! শৈশবের স্বপ্ন থেকে বিশ্বরেকর্ড, এবার ঘরের মাঠে স্বর্ণ চান জশ কের ‘যতদিন ইচ্ছে খেলবে মেসি’—আর্জেন্টাইন অধিনায়কের অবসর জল্পনা ওড়ালেন স্কালোনি ফিফার প্রতি অসন্তোষে বিশ্বকাপ ফাইনালই বয়কট করলেন উয়েফা সভাপতি
দাবি না মানলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা

দাবি না মানলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা

সাত দিনের মধ্যে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে টেক্সটাইল মিলস মালিকরা।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজার বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএসএ) মিলনায়তনে দেশীয় টেক্সটাইল শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া এবং স্পিনিং খাতের অস্তিত্ব রক্ষায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেল এ ঘোষণা দেন।

শওকত আজিজ রাসেল বলেন, দেশের অর্ধেক টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি অর্ধেক ৫০ শতাংশ সক্ষমতা নিয়ে চলছে।

তারপর মিলগুলোতে ১২ হাজার ৫শ কোটি টাকার সুতা অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। এরই মধ্যে বিদেশ থেকে সুতা আমদানি অব্যাহত। বিষয়টি সরকারের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে সরকার এ বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করছে না। সরকার টেক্সটাইল খাততে পরিত্যক্ত (অ্যাবান্ডেড) করে রেখেছে।এ অবস্থায় বাকি মিলগুলো চলার সক্ষমতা রাখতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল মিল খাতে সমস্যাবলী আমলে নিয়ে গত ৬ মাস ধরে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করতে এনবিআরকে সুপারিশ করে। কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই সুপারিশকে এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।

শওকত আজিজ রাসেল বলেন, সম্প্রতি ক্রিকেট খেলা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের মধ্যে যে দেশপ্রেমের প্রকাশ আমরা দেখেছি, দেশীয় টেক্সটাইল শিল্প রক্ষায় তার সামান্য প্রতিফলনও দেখতে পাচ্ছি না।

বিষয়টি আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।

মিল মালিকরা বলেন, সুপারিশ বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে শিল্প খাতে চরম সংকট তৈরি হবে। এর ফলে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি হলে তার সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।

একইসঙ্গে তারা জানান, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়-দেনা পরিশোধ করা ভবিষ্যতে আর সম্ভব হবে না। এতে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে কোনো বিপর্যয় দেখা দিলে তার দায়ও সরকারকেই বহন করতে হবে।

এই অনিহার পেছনে কোনো বৃহৎ ষড়যন্ত্র কাজ করছে কিনা তা খতিয়ে দেখা জরুরি- বলেন গার্মেন্টস মালিকরা। 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS