দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, ২০২৬ সাল গণতন্ত্র উত্তরণের একটি বছর। আমরা আমাদের মতো করে সেবা দিয়ে যাব। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের নির্বাচনী হলফনামার ওপর আমাদের নজর রয়েছে।
তিনি জানান, হলফনামায় উল্লেখ করা প্রার্থীদের সম্পদের বিবরণী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।
সোমবার (০৫ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশনের (র্যাক) নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা প্রার্থী হয়েছেন, তাদের হলফনামায় সম্পদের বিবরণ রয়েছে, যা ইতোমধ্যে ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছি—কারও সম্পদের তথ্য সন্দেহজনক হলে তা শনাক্ত করে আমাদের অবগত করতে।আমরাও হলফনামা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করব এবং অসঙ্গতি বের করার চেষ্টা করব। প্রয়োজনে দুদকের অন্যান্য কর্মকাণ্ড সীমিত করে এ কাজটি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদেরও হলফনামা পরীক্ষা-নিরীক্ষার আহ্বান জানান।
নতুন আইন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ড. আবদুল মোমেন বলেন, আমার বক্তব্য সুস্পষ্ট—দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস নয়।
যদি আপসযোগ্য না হয়, তার মানে আপস করা যাবে না। নতুন আইনে যদি আপসের কথা বলা থাকে, তাহলে অবশ্যই আমরা আমাদের আগের অবস্থানেই থাকব। প্রয়োজনে সরকারের সঙ্গে কথা বলব।
মতবিনিময় সভায় দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ এবং সংস্থাটির সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন র্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হক।সভায় র্যাকের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।