News Headline :
পাকিস্তানে সেনা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ১৩ আবাহনীর স্বপ্ন ভেঙে ষষ্ঠ লিগ শিরোপা বসুন্ধরা কিংসের বাংলাদেশের বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিখাত হবে চামড়া শিল্প: বাণিজ্যমন্ত্রী জোট নয়, স্থানীয় নির্বাচনে আলাদা লড়াইয়ে নামবে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের দুশ্চিন্তা, সিলেটে আগ্রাসী বাংলাদেশ ট্রাম্পের পর এবার চীন সফরে যাচ্ছেন পুতিন রাতের মধ্যে রাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির আভাস সড়কে মিলছে এআই ক্যামেরার সুফল: ফিরছে শৃঙ্খলা তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্ত্রী-তিন মেয়েসহ ৫ খুন: পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ ঘাতক ফোরকানের
উপাচার্য-রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর জাল করেছে জবি শিক্ষার্থী

উপাচার্য-রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর জাল করেছে জবি শিক্ষার্থী

বিভাগ পরিবর্তনের জন্য উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ও সিল নকলের অভিযোগ উঠেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। তিনি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার নাম সবুজ আহমেদ।

বুধবার (২৪ মে) এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে মামলা করে সবুজকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

জানা গেছে, সবুজ আহমেদ নামে ওই শিক্ষার্থী বিভাগ পরিবর্তন করার জন্য নিজেকে হিন্দু শিক্ষার্থী দাবি করে গত সোমবার ( ২২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল ওদুদের স্বাক্ষর-সিল জালিয়াতি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন বরাবর আবেদন করে। তখন কলা অনুষদের ডিনের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও বিভাগের চেয়ারম্যানের সই ও সিল দেখে সন্দেহ হয়। এরপরই তিনি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর জানান।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনা সামনে আসার পর এই শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ওই শিক্ষার্থী শাহবাগ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, চেয়ারম্যানের সিল বানিয়ে স্বাক্ষর করে বিভাগ পরিবর্তনের জন্য ডিন বরাবর আবেদন করেছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে। এরপর বহিষ্কারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, বিভাগ পরিবর্তনের জন্য রেজাল্ট প্রকাশ করার সময় বিষয়টি আমাদের সামনে আসে। ডেপুটি রেজিস্ট্রারের কাছে আবেদন গেলে তার সন্দেহ হয়, এরপর তিনি আমাকে বিষয়টি জানান। তার সকল কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখা যায়, সকল কাগজপত্রে জাল স্বাক্ষর ও সিল দেওয়া। পরবর্তীতে ডিন অফিসের কিছু কার্যক্রম সম্পন্ন করে সবুজকে প্রক্টর অফিসে হস্তান্তর করি।

তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মনে হয় এর পেছনে একটি চক্র জড়িত। প্রশাসন যদি এ বিষয়ে সূক্ষ্ম তদন্ত করে তাহলে এর সঙ্গে জড়িত সদস্যদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS