যে উপায়ে পালংশাক, মসুর ডাল খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়বে

যে উপায়ে পালংশাক, মসুর ডাল খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়বে

শরীরে রক্তাল্পতার সমস্যা এখন অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। যে কারণে অবসাদ গ্রাস করে, হৃৎস্পন্দনের গতিও বেড়ে যায়।এসব সমস্যা পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

পিরিয়ডের সময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি রক্তপাত হলে দেহে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যায়।তাই নারীদের বেশি করে আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে মটরশুঁটি, মসুর ডাল, শাক সবজি, কলা, ব্রকোলি ইত্যাদি আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া যেতে পারে।তবে কেবল আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেলেই হবে না, সঠিক নিয়মে খাবার খেতে হবে।

অনেকে ডাক্তারি রিপোর্টে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম দেখে আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেতে শুরু করেন।কিন্তু অনেক সময় আয়রনযুক্ত খাবার খেয়েও কোনো লাভ হয় না– এমনটাই মনে করেন ভারতীয় চিকিৎসক অন্বিত ভট্টাচার্য।

এই চিকিৎসক বলেন, মসুর ডাল, পালং শাক, তিল, বেশ কিছু মাছ, খেজুরেও ভালো মাত্রায় আয়রন থাকে। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, লোহার কড়াইতে রান্না করা খাবার খেলেও শরীরে অনেকটা আয়রন প্রবেশ করতে পারে। তবে এসব খাবারের সঙ্গে যদি ভিটামিন সি খাওয়া হয়, তাহলে শরীরে আয়রনের শোষণ প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ডালের সঙ্গে লেবু মিশিয়ে খেলে কিংবা পালং শাকের তরকারি টমেটো দিয়ে খেলে শরীরে আয়রনের শোষণ ভালো হবে, যা শুধু ডাল বা পালং শাক খেলে হবে না।

তার মতে, আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে চা, কফি না খাওয়াই ভালো। এতে রক্তে আয়রন শোষণের মাত্রা কমে যায়। এছাড়া আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে দুধ বা পনির, চিজের মতো দুগ্ধজাত খাবারও না খাওয়া ভালো, এতেও আয়রন ঠিকভাবে শরীরে শোষিত হয় না।

এই চিকিৎসক বলেন, হিমোগ্লোবিন কমে গেলে অযথা আয়রন সাপ্লিমেন্ট খাবেন না, এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিয়ম মেনে ডায়েটে সামান্য পরিবর্তন আনলেই এই সমস্যা দূর হতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS