News Headline :
উত্তেজনার পর বেরোবিতে একই মঞ্চে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির ভারতে পলাতক আসামিকে দিয়ে রাজনীতি করানো সার্বভৌমত্বের প্রতি অপমান: রিজভী ঢাকায় মহাসমাবেশসহ লং মার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের ‘পলাতক খুনিকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত’ কালের কণ্ঠ পরিদর্শনে ঢাকার রাশিয়ান হাউসের প্রতিনিধি নিরাপদ অভিবাসন জাতীয় নিরাপত্তার অংশ: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়ার ‘প্রতিধ্বনি’ করলেন তথ্যমন্ত্রী – শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন সরকারি চাকরিতে শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ জনপ্রশাসন উপদেষ্টার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নতুন ইউএনডিপি আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ সবুজবাগে খণ্ডিত লাশে ছিল সোনালি চুল, হাতে ট্যাটু, কানে দুল
৩০০ উপজেলায় পুষ্টিচাল বিতরণ ও খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

৩০০ উপজেলায় পুষ্টিচাল বিতরণ ও খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিদ্যমান ২৫৬টি উপজেলার পাশাপাশি মোট ৩০০টি উপজেলায় ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ পুষ্টিচাল (ফর্টিফায়েড রাইস) বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত বর্তমান ১৩ লাখ টন থেকে বাড়িয়ে স্বাভাবিক সময়ে ১৪ লাখ এবং দুর্যোগকালীন সময়ে ১৫ লাখ টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র ও অতি দরিদ্র পরিবারকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে মাসে ৩০ কেজি করে ছয় মাস চাল দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় মোট ৯ লাখ ৯০ হাজার টন চাল বিতরণ করা হবে।

এছাড়া অপুষ্টি দূরীকরণ ও জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৩০০টি উপজেলায় ছয় ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ পুষ্টিচাল বিতরণ করা হবে। সরকারের আশা, এ উদ্যোগ দেশের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ঘাটতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

সভায় জানানো হয়, গত পাঁচ অর্থবছরে সরকারি খাতে গড়ে ৩২ দশমিক ৩২ লাখ টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিতরণের পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৮ লাখ টন। খাদ্যশস্যের চাহিদা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সম্প্রসারণের কারণে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

এফপিএমসি সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জরুরি পরিস্থিতি বা যোগাযোগ ব্যবস্থায় সাময়িক বিঘ্ন দেখা দিলে দুর্গম পার্বত্য এলাকায় দ্রুত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে তিন পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণ করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সরকারি খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩০ লাখ টনে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্তও সভায় গৃহীত হয়েছে।

সভায় খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS