স্মার্টফোন, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। কাজ, পড়াশোনা কিংবা বিনোদনে এসব ডিভাইসের ব্যবহার বাড়ছে।তবে অতিরিক্ত সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের সমস্যা, ঘুমের ব্যাঘাত ও মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ নয়, বরং এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখাই জরুরি।স্ক্রিন টাইম কমাতে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।
ব্যবহারের সময় ঠিক করুন
প্রতিদিন ফোন বা অন্য ডিভাইস ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন।অপ্রয়োজনীয়ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো কমান।
অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন
বারবার নোটিফিকেশন এলে মনোযোগ নষ্ট হয় এবং বারবার ফোন দেখার অভ্যাস তৈরি হয়।তাই প্রয়োজন ছাড়া অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা ভালো।
ঘুমের আগে ফোন ব্যবহার কমান
ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের অভ্যাস ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে ডিভাইস থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
বিকল্প কাজে সময় দিন
অবসর সময়ে বই পড়া, হাঁটাহাঁটি, শরীরচর্চা বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস করলে স্ক্রিন নির্ভরতা কমে।
খাওয়ার সময় ফোন নয়
খাবার খাওয়ার সময় ফোন ব্যবহার না করলে খাবারে মনোযোগ বাড়ে এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি হয়।
স্ক্রিন টাইমের হিসাব রাখুন
ফোনের স্ক্রিন টাইম ফিচার ব্যবহার করে নিজের দৈনিক ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী সময় কমানোর পরিকল্পনা করুন।
ডিজিটাল ডিভাইস বর্তমান জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হলেও এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত রাখা জরুরি। সচেতন ব্যবহারে প্রযুক্তির সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি সুস্থ জীবনযাপনও সম্ভব।