প্রধানমন্ত্রীর দরজা সবসময় খোলা, যখন যাই তখনই কথা বলতে পারি

প্রধানমন্ত্রীর দরজা সবসময় খোলা, যখন যাই তখনই কথা বলতে পারি

আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দরজা সবসময় খোলা, যখন যাই তখনই কথা বলতে পারি, এজন্য হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের বলেছি, যখন যেটা প্রয়োজন আমাকে জানাবেন, এমনটাই উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।  

সোমবার (১১ মে) বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগের সরকারগুলোর সময় চেইন ছিল না, সাপোর্টিং স্টাফ বা উপরের স্টাফদের মধ্যে কোনো হারমনি ছিল না। ধরেন আমি মন্ত্রী, আমাকে ভয় পেয়ে কেউ যদি কথা না বলে তাহলে দেশ চলবে না।আমি আমার দরজা ফ্রি বানাতে চাই, আমার কাছে আসতে হবে, বলতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দরজা সবসময় খোলা, যখন যাই তখনই কথা বলতে পারি।এজন্য হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের বলেছি, যখন যেটা প্রয়োজন আমাকে জানাবেন। সেইসাথে জেলা প্রশাসক প্রতিমাসে বসবে, কি কি সমস্যা রয়েছে সেগুলো দেখবেন।যত-ময়লা আবর্জনা হাসপাতাল কম্পাউন্ডে রয়েছে, তা স্পট টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করে দিতে বলেছি।

বরিশালের স্বাস্থ্য সেক্টরের অনেক কিছুর পরিবর্তনের নির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে অনেক পরিবর্তন দেখবেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী বলেন, ১১ হাজার মানুষের জন্য ১ জন ডাক্তার। বিগত সরকারের সময় ডাক্তার নেয়া হয়নি, অপরিকল্পিত প্লানে টাকা দিয়ে, টাকা লুটপাট করেছে। এখন আমরা স্পেশাল বিসিএস-এর মাধ্যমে ডাক্তার নিচ্ছি। এই ব্যাচ বের হলে আগামী বছর আরও ডাক্তার নেবো। ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী আমরা নিচ্ছি, প্রতিটি ঘরে সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা রিফর্ম করছি। আরবান এলাকাগুলোতে মিউনিসিপালটি বিল্ডিংগুলো নিয়ে নিচ্ছি, সেখান থেকে আমরা হেলথ সার্ভিস দেবো।

আমানতগঞ্জের নবনির্মিত শিশু হাসপাতাল বিষয়ে তিনি বলেন, বরিশালবাসী ভাগ্যবান, আমাদের গণপূর্ত বিভাগ শিশু হাসপাতালটির ভবন নির্মাণের কাজ শেষ করেছে, এখন অপারেশনে যাওয়ার পালা। সেটির জন্য যা যা প্রয়োজন সেগুলো আমি নোট করে নিয়েছি, এখন প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি অবগত করবো। আশা করি শিশু হাসপাতাল খুব তড়িৎগতিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উদ্বোধন করবো।

বান্দরোডস্থ নির্মাণাধীন ক্যানসার হাসপাতাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্যানসার হাসপাতাল নির্মাণ কাজ শেষ হতে আরও ছয়মাস সময় লাগবে। গণপূর্তের কাজ শেষ হলে এটির জন্য যা যা দরকার সেটির ব্যবস্থা করে কার্যক্রম চালু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারগুলি লুট করে গেছে, কোনো টাকা নেই। আমাদের নেক্সট বাজেটের পরে জুলাই মাস থেকে বরিশালের নতুন ও পুরাতন হাসপাতালগুলোতে যা প্রয়োজন তা পর্যায়ক্রমে কিনে ফেলবো। আমরা আশা করি আগস্টের মধ্যে বরিশালের শিশু হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু করবো।

বরিশালের হাসপাতালগুলোর সার্বিক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, হাসপাতাল কম্পাউন্ডগুলো একটু অপরিচ্ছন্ন আছে, রোগীরা সেবায় খুশি। হাসপাতাল স্টাফদের দুই একজনকে অনিয়মিত পেয়েছি। তাদের মধ্যে জেনারেল হাসপাতালের টিকিট মাস্টারকে উইড্রো করেছি এবং কক্সবাজারে বদলির জন্য বলেছি। ডাক্তার সবাইকে পেয়েছি, নার্সরা বরাবরই উপস্থিত থাকেন। খাবারের মান ভালো পেয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS