পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় ঈদের নামাজ শেষে ঈদগাহে বসা অস্থায়ী দোকান থেকে চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগে গণপিটুনির শিকার বিটুল যুবদলের কেউ নন, বরং তিনি ‘যুবলীগের নেতা’—এমন দাবি করেছে পঞ্চগড় জেলা যুবদল।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেলের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবু।
সংবাদ সম্মেলনে নুরুজ্জামান বাবু বলেন, বিটুল নামে এক ব্যক্তি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের রামগঞ্জ বিলাসী এলাকায় ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বসা অস্থায়ী দোকানে চাঁদা তুলতে গিয়ে উপস্থিত মুসল্লিদের মারধরের শিকার হয়েছে।দুঃখজনকভাবে কয়েকটি গণমাধ্যমের সংবাদে বিটুলকে যুবদল নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা ওই টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের যে সম্মেলন হয়েছিল, সেই সম্মেলনে আমরা যুবদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলাম। আমরা সেটি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—বিটুল নামে এই ছেলেটি আমাদের যুবদলের কেউ নয়। প্রকৃতপক্ষে বিটুল টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নে ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি।স্বৈরাচারের দোসর বিটুলের সঙ্গে যুবদলের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই।
‘তাই যুবলীগের রাজনীতি সংশ্লিষ্ট একজনকে যুবদল পরিচয় দিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করা সত্যিই দুঃখজনক। জাতীয়তাবাদী যুবদল সবসময় সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী এবং কোনো রকমের বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দেয় না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চায় যে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ নেই’
নুরুজ্জামান বাবু বলেন, অপরাধীর প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হয়ে সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক এবং এ জাতীয় অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।