ঢাকার ২টি আসনে মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জনগণের দুর্ভোগ কমানোর জন্য সরাসরি জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি রোধে কার্যকর পদক্ষেপসহ বিভিন্ন জনমুখী অঙ্গীকার নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ মনোনীত প্রার্থীরা। ঢাকা-৩ আসনে বাচ্চু ভূঁইয়া ও ঢাকা-১২ আসনে তাসলিমা আখতার ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা-৩ আসনের অন্তর্গত কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের ১, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণা চালান গণসংহতি আন্দোলনের মাথাল মার্কার প্রার্থী বাচ্চু ভূঁইয়া।
প্রচারণা চলাকালে বাচ্চু ভূঁইয়া বলেন, কেরানীগঞ্জের মানুষ ঢাকায় থেকেও ঢাকার অন্যান্য এলাকার মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পায় না।
বারবার এখানকার জনপ্রতিনিধিরা মানুষের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছেন। চুরি, দুর্নীতি, লুটপাটে নিমজ্জিত থেকে মানুষকে মৌলিক চাহিদা থেকেও বঞ্চিত করেছেন তারা। কেরানীগঞ্জের মানুষের জন্য মানসমত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা আমাদের প্রথম কাজ হবে। কেরানীগঞ্জের মানুষকে শিক্ষা-স্বাস্থ্যে আর বঞ্চিত রাখা যাবে না।
এ দিন ঢাকা-১২ আসনের অন্তর্গত শেরেবাংলা নগরের পাকা মার্কেটের সামনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত মাথাল মার্কার প্রার্থী তাসলিমা আখতারের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জনতার পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের নিয়মিত কর্মসূচিতে স্থানীয় মানুষ অংশ নেন ও তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এলাকার রাস্তা-ঘাটের বেহাল দশা, সুলভ মূল্যে সুপেয় পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও শিশুদের খেলাধুলার জায়গা নিয়ে কথা বলেন এলাকাবাসী।
গত ২৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকা-১২ আসনের বিভিন্ন জায়গায় ‘জনতার পার্লামেন্ট’ বসিয়ে স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করছেন তাসলিমা আখতার।
শেরেবাংলা নগরের কর্মসূচিতে তিনি বলেন, ঢাকা-১২ আসনের মানুষের সাথে কথা বলে আমরা বহুবিধ সমস্যা ও দুর্ভোগের কথা শুনছি।
ইতিমধ্যে আমরা আমাদের খসড়া ১২ দফা ইশতেহারে এই আসনের জন্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিয়ে পরিকল্পনা জানিয়েছি। প্রতিদিন আমাদের কর্মসূচিতে যেসব চাওয়া-পাওয়ার কথা মানুষ জানাচ্ছেন, সেগুলোও আমরা আমাদের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করব।
তাসলিমা আখতার আরও বলেন, নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধিরা যেন জনগণের কাছে জবাবদিহি করেন সে অধিকার আদায়ে এবারের নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব।