News Headline :
তেহরানের খোমেনি বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হচ্ছে! ক্যান্সারের চিকিৎসা নিয়েছেন নেতানিয়াহু ইসলামাবাদে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সপ্তাহের ব্যবধানে আরও চড়া বাজার প্রিমিয়াম এসইউভি মিতসুবিশি ডেস্টিনেটর উন্মোচন করল র‍্যাংগস লিমিটেড এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক-রনি-কাফি-ফ্লোরা ডাকসু নেতা-সাংবাদিকদের মারধরের প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল মে দিবসে শ্রমিক দলের সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো-টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের রমনায় চোরাই সিএনজিসহ প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার
বিয়ের দাওয়াত খেতে না পেরে স্ত্রীকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে প্রতিমন্ত্রী

বিয়ের দাওয়াত খেতে না পেরে স্ত্রীকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে প্রতিমন্ত্রী

স্ত্রীকে নিয়ে সেনাকুঞ্জে একটা বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। কিন্তু বিয়ের তারিখ পরিবর্তন হওয়ায় তারা সেখানে কোনো আনুষ্ঠানিকতা দেখতে পাননি। পরে দুজনে মিলে একটি রেস্টুরেন্টে খাবার খান।

গত শনিবার (২১ মে) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকা।

ফেসবুক পোস্টে কনিকা লিখেছেন, আজ সেনাকুঞ্জে একটা বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলাম। মন্ত্রীর পূর্ব নির্ধারিত প্রোগ্রাম শেষ করে সেখানে পৌঁছতে রাত প্রায় ১০টা বেজে গিয়েছিল। গিয়ে দেখি সেনাকুঞ্জ অন্ধকার। বিয়ের কোনো লক্ষণই নাই। ভেন্যু ভুল হয়েছে ভেবে সেনা মালঞ্চে গেলাম। সেখানেও একই অবস্থা! শেষে পাত্রের কাছে ফোন দিয়ে জানা গেল বিয়ের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। মন্ত্রীর গুগল ক্যালেন্ডারে তারিখটা আপডেট করা হয়নি। এদিকে আমরা দাওয়াতে যাব বলে বাসায় আমাদের জন্য খাবার রাখতে নিষেধ করে দিয়েছি। অগত্যা ধানমন্ডি এলাকায় রেস্টুরেন্টের খোঁজে বের হলাম। রাত প্রায় ১১টা বেজে যাওয়ায় বেশির ভাগ রেস্টুরেন্টই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। শেষে আমরা ২৭নং রোডে ‌বার বি কিউ টু নাইটে গেলাম। ছোট রেস্টুরেন্ট কিন্তু খাবার খুবই মজাদার ছিল।

তিনি আরও লিখেছেন, খাওয়ার সময় মনে পড়ে গেল- ‘অনেক বছর আগে পলক তখন এলএলবি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় একটা ছোট বাসা নিয়ে থাকত। আমি শিক্ষকতা পেশায় ছিলাম। পাশাপাশি লেখাপড়া, সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলাম। ছুটি পেলে ঢাকায় আসতাম ওর কাছে। একবার সে আমাকে বলল, তোমাকে একটা মজার খাবার খাওয়াব। আমার ভীষণ প্রিয়। আমি সুযোগ পেলেই গিয়ে খেয়ে আসি। আমাকে নিয়ে সে একটা রেস্টুরেন্টে গেল। ছোট রেস্টুরেন্ট হলেও দেখি সেখানে প্রচুর ভিড়। কেউ বসে খাচ্ছে, কেউ খাবার প্যাকেট করে নিয়ে যাচ্ছে। সেদিন আমরাও অনেক মজা করে খিচুড়ি খেয়েছিলাম।’ সেই দিনের কথা মনে করিয়ে দিতেই সে বলল যে তারও মনে আছে। সেদিন আমরা মজাদার খিচুড়ি খেয়েছিলাম মতিঝিলে মধুমতি সিনেমা হলের পাশে ঘরোয়া হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS