News Headline :
নরসিংদীতে ফেয়ার ইলেকট্রনিকসের কারখানা ঘুরে দেখলেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় কী এমন শিখেছিলেন নোলান! এখন তাঁর সিনেমার আয় ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, পদ ১৯৭ জুলাইয়েই ভেরিফিকেশন রিপোর্ট, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে কিছুটা অগ্রগতি ঢকঢক করে নয়, ধীরে পানি পান করুন ৯ বছর পূর্তিতে ‘উডহাউস গ্রিল’দিচ্ছে ২২ শতাংশ ছাড় প্রেম ভাঙতেই অভিনেতাকে ‘জুতাপেটা’ করলেন অভিনেত্রী! বিয়ে করলেন বিশ্বখ্যাত ইউটিউবার মিস্টার বিস্ট ১৮ বছর পর একক অ্যালবাম নিয়ে ফিরছেন আতিফ আসলাম রাতে হোটেলে একা দেখা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল অভিনেত্রীকে!
ফরিদপুর-৩: মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর-৩: মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী দলটির জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় তিনিই এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। 

তিনি বিএনপির সাবেক মন্ত্রী মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের কন্যা।

এক সময়ের বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই আসনটি পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে দলটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের এই পরীক্ষিত নেতৃত্বের ওপরই আস্থা রাখছে বলে জানা যাচ্ছে।

চৌধুরী নায়াব ইউসুফ কেবল রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী হিসেবে নয়, তিনি নিজে দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে পরিচিত। তিনি বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ফরিদপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন রয়েছেন।

দলের গত এক দশকেরও বেশি সময়ের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ফরিদপুর বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংগঠিত রাখতে এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে তাকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। তার এই স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যকেই তার মনোনয়নের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

নায়াব ইউসুফ ফরিদপুরের অন্যতম সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তার বাবা, বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা, সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান ও দেশের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফরিদপুর-৩ আসন থেকেই ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপি সরকারের আমলে দেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং পরে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করেন।

শুধু তাই নয়, নায়াব ইউসুফের দাদা, মরহুম চৌধুরী ইউসুফ আলী (মোহন মিয়া) ছিলেন এই অঞ্চলের কিংবদন্তী নেতা, যুক্তফ্রন্টের প্রাদেশিক মন্ত্রী এবং একজন প্রখ্যাত সমাজসেবক। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই পরিবারটি ফরিদপুর অঞ্চলের রাজনীতি, সমাজসেবা ও নেতৃত্বে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।

ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। চৌধুরী নায়াব ইউসুফের মনোনয়ন নিয়ে আশাবাদী স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তৃণমূলের কর্মীরা মনে করছেন, নায়াব ইউসুফের মনোনয়ন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক এবং একটি জনপ্রিয় পরিবারের ঐতিহ্যকে একসূত্রে গাঁথতে পারবে। তারা আশা করছেন, বাবার জনপ্রিয়তার বিশাল ভিত্তি এবং নায়াব ইউসুফের নিজস্ব সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে এই মর্যাদাপূর্ণ আসনটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS