ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণসংক্রান্ত চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেন, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ২০ দফা পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা। এর মধ্যে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সব পক্ষের যুদ্ধবিরতি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, গাজার মানুষের মানবিক পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত ভয়াবহ।
ডেভিড ল্যামি আরও বলেন, ইসরায়েলকে অবিলম্বে ত্রাণ সহায়তার ওপর আরোপিত অগ্রহণযোগ্য বিধিনিষেধ তুলে নিতে হবে, যাতে খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র নিরাপদে পাশাপাশি সহাবস্থান করবে।
এ ছাড়া চুক্তি এগিয়ে নিতে নিরলস প্রচেষ্টার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, তুরস্ক ও মিসরকে ধন্যবাদ জানান ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এর আগে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, গাজায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণে একটি চুক্তি হয়েছে। তিনি জানান, চুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, এই ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতির’ পেছনে মিসর, কাতার ও তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ধাপে ধাপে চুক্তি বাস্তবায়নের সময় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং নতুন ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গাজার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর