ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা

ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা

২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে স্পেনের সরকার অবৈধ অভিবাসীদের শর্তসাপেক্ষে বসবাস ও কাজের বৈধতা দিচ্ছে। বাংলাদেশি হাজার হাজার নাগরিকও এই সুবিধায় বৈধতার সুযোগ পেয়েছেন।আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে সাগর পাড়ি দিয়ে হাজার হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত থেকে ছুটছেন স্পেনে। এতেই ইউরোপে নতুন করে অভিবাসন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

স্পেনমুখী অভিবাসী স্রোতকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে দেশটির শেনজেন সুবিধা স্থগিতের হুমকি দিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তার ভাষ্য, ইতালি এ পরিস্থিতিতে নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না।

শুক্রবার (বাংলাদেশ সময় ৩১ জুলাই) ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, মরক্কো থেকে সিউতায় প্রবেশ করা অভিবাসীদের, বিশেষ করে শিশুদের ছবি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন হলে স্পেনের বিরুদ্ধে ‘ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা’ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে ইতালির।

এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ করণীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে। বৈঠক শেষে প্রয়োজন হলে স্পেনের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি স্থগিতের মতো সিদ্ধান্তও বিবেচনা করা হবে। ইতালি চুপচাপ বসে থাকবে না।

এর আগে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানিও স্পেনের সঙ্গে সীমান্তমুক্ত যাতায়াত সীমিত করার পক্ষে মত দেন। তার অভিযোগ, স্পেনের অভিবাসন নীতি অনিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করছে।

তাজানি দাবি করেন, স্পেন ৫ লাখের বেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপ মানবপাচারকে উৎসাহিত করছে এবং ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

তবে ইতালির এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে স্পেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে লুইস আলবারেস বলেন, অভিবাসন ইস্যুকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। তিনি ইতালির মন্তব্যকে অনুপযুক্ত আখ্যা দিয়ে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় সংহতি প্রয়োজন, রাজনৈতিক কৌশল নয়।

প্রসঙ্গত, ইউরোপের শেনজেনভুক্ত দেশে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রমের সুযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক অভিবাসন সংকটের পর ইতালির ডানপন্থি রাজনৈতিক নেতারা, বিশেষ করে মাত্তেও সালভিনি শেনজেন ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করা বা পুনর্বিবেচনার দাবি জোরালো করছেন। কেননা, স্পেনে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার পর সবাই ইতালি চলে যান। গত দুই দিনের সিউতা সংকটকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন নীতি এবং শেনজেন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS