বিশ্বকাপ ফুটবলের পারফরম্যান্স সচরাচর ব্যালন ডি’অরের বিজয়ী নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। ২০০৬ সালে ফ্যাবিও ক্যানাভারো, ২০১৮ সালে লুকা মদরিচ কিংবা দুই বছর আগে লিওনেল মেসির বর্ষসেরা হওয়ার পেছনে বিশ্বকাপের অবদান ছিল মুখ্য।
তবে ২০২৬ সালের নিউ ইয়র্ক ফাইনালের পর চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। স্পেন চ্যাম্পিয়ন হলেও বর্ষসেরার দৌড়ে এবার একক কোনো ফেভারিট নেই।খেলোয়াড়দের ক্লাব ও জাতীয় দলের মিশ্র পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে শীর্ষ পাঁচের পাওয়ার র্যাংকিং প্রকাশ করেছে স্পোর্টস স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ডিএজেডএন ।
ব্যালন ডি’অর পাওয়ার র্যাংকিং
১. হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ / ইংল্যান্ড): ইংলিশ অধিনায়ককে বিশ্বকাপে ৬ গোলসহ বায়ার্ন ও জাতীয় দলের হয়ে এক মৌসুমে রেকর্ড ৭০টি গোল শীর্ষ স্থানে তুলে এনেছে।বুন্দেসলিগা জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে তৃতীয় ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্নকে রানার্সআপ করার পেছনে তার পুরো মৌসুমের অতিমানবীয় ধারাবাহিকতাই মূল ভিত্তি।
২. লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা / স্পেন): চোট কাটিয়ে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে অন্যতম বড় ভূমিকা রাখেন এই তরুণ বিস্ময় বালক।এর পাশাপাশি একক নৈপুণ্যে বার্সেলোনাকে এনে দিয়েছেন লা লিগা শিরোপা।
৩. রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি / স্পেন): মাঝমাঠের দারুণ নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বে স্পেনকে বিশ্বসেরা বানিয়ে জিতে নিয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’। বড় মঞ্চের এই স্বীকৃতি তাকে ট্রফির শক্ত দাবিদার করেছে।
৪. কিলিয়ান এমবাপ্পে (রিয়াল মাদ্রিদ / ফ্রান্স): বিশ্বকাপে ১০ গোল করে ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তবে ফ্রান্সের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে প্রধান ট্রফিশূন্য মৌসুমের কারণে তিনি রয়েছেন চার নম্বরে।
৫. লিওনেল মেসি (ইন্টার মিয়ামি / আর্জেন্টিনা): ৩৯ বছর বয়সেও ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্টে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যান মেসি। তবে ফাইনালে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স এবং ইউরোপের বাইরে ক্লাব ফুটবলে খেলার কারণে তার নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা এবার বেশ কঠিন।