পাকিস্তানের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম ব্যর্থ হয়েছেন। দুইজনই পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের সামনে নাস্তানাবুদ হয়েছেন।যদিও তাদের উপরই আস্থা রাখছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
ঢাকা টেস্টে সাদমান দুই ইনিংস মিলে করেছেন ১৩ ও ১০ রান।মাহমুদুলের দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছাতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে এসেছে যথাক্রমে ৮ ও ৫ রান।স্বাভাবিক ভাবেই সংবাদ সম্মেলনে এই দুই ওপেনারকে নিয়ে প্রশ্ন হলো। শান্তর ভাষ্য, ‘টপ অর্ডারদের নিয়ে আমি চিন্তিত না।সাদমান ভালো করছে এবং জয় কিছুদিন আগে ১৭১ রানের ইনিংস খেলেছে। কন্ডিশন চ্যালেঞ্জিং ছিল এবং প্রতিপক্ষের পেস আক্রমণও ভালো ছিল। কঠিন কাজ হলেও ওরাও আস্তে আস্তে ধারাবাহিক হবে।’
ঢাকা টেস্ট শেষে বুধবার বাংলাদেশ দল চলে যাবে সিলেটে। সেখানে আগামী ১৬ মে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচটি। এই টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। সেই স্কোয়াডে কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। বোঝাই যাচ্ছে, সাদমান-মাহমুদুলে ভীষন আস্থা অধিনায়কের। যদিও ঢাকা টেস্টের আগের ম্যাচগুলোতে ভালোই ছন্দে ছিলেন দুই ওপেনার।
দেশের মাটিতে ১৬ বছর পর বাংলাদেশের কোন পেসার ৫ উইকেট নিলেন। আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশের পেসারার। চতুর্থ ইনিংসে এর আগে কখনোই বাংলাদেশের কোন পেসার ৫ উইকেট নেয়নি। এবারই প্রথম এই ঘটনা ঘটল।
পেসারদের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে শান্ত বলেন, ‘মিরপুরের উইকেট গত কিছুদিন ধরেই ভালো, ওয়ানডে সিরিজেও পেস আর বাউন্স ছিল। তাই টেস্টে এরকম উইকেটের প্রত্যাশা ছিল। পঞ্চম দিনে এসে রানা এবং তাসকিন ভাই উইকেট নিয়েছে এটা খুবই ভালো লেগেছে। সাধারণত মিরপুরে ডে ফাইভে স্পিনাররা উইকেট নেয় বা খেলাও যায় না। কিন্তু পেসারদের এই পারফরম্যান্স আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক দিক।’