গত বছরের কোরবানির ঈদে কাঁচা চামড়া কিনতে ট্যানারি মালিকদের জন্য মোট ২৩২ কোটি টাকা ঋণের বরাদ্দ রেখেছিল ব্যাংকগুলো।
সরকারি ও বেসরকারি খাতের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ৯টি ব্যাংক এই ঋণ বিতরণে অংশ নিয়েছিল।এবারও কোরবানি ঈদে পশুর চামড়া কেনার সুবিধার্থে ট্যানারি মালিকদের ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে ২০২৬ সালে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া ক্রয়ের জন্য ঋণ বিতরণের একটি
লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা ২০২৫ সালের ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম নির্ধারণ করা যাবে না। ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ সীমা নির্ধারণ করতে হবে।
তাছাড়া বকেয়া ঋণ থাকার পরও নতুন ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মঙ্গলবার (৫ মে) এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চামড়া খাতে যে ব্যবসায়ীদের আগের ঋণ পুনঃতফসিল করা রয়েছে, তারা আসন্ন ঈদুল আজহার আগে নতুন করে ঋণ নিতে গেলে আগের বকেয়ার একটি নির্দিষ্ট অংশ পরিশোধের যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত শিথিল থাকবে।
এর ফলে আগের ঋণের কিস্তি পরিশোধ না থাকলেও নতুন করে ঋণ নিতে পারবেন ট্যানারি মালিকরা।
সেই সঙ্গে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া কিনতে ঋণ বিতরণের একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এবারের নির্ধারণ করা লক্ষ্যমাত্রা ও বিতরণকৃত ঋণের তথ্য আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলা হয়েছে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, ‘চামড়া শিল্প দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী খাত। এই খাতের বড় অংশের কাঁচামাল আসে ঈদুল আজহার সময় কোরবানির পশুর চামড়া থেকে। তাই এই সময় ব্যবসায়ীদের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকাটা খুবই জরুরি। এতে চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিক্রিসহ সকল কাজ ঠিকভাবে করা সম্ভব হবে।’