শরিয়া আইনের জ্ঞান অর্জন করেছিলেন ইয়ামি গৌতম!

শরিয়া আইনের জ্ঞান অর্জন করেছিলেন ইয়ামি গৌতম!

তারকাদের চাকচিক্য ও বিলাসবহুল জীবনযাপন সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কিন্তু, দর্শকের মনোরঞ্জনের পেছনে লুকিয়ে থাকে তাদের অসংখ্য ত্যাগ, অক্লান্ত পরিশ্রম।

পর্দার চরিত্রগুলোকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে কী না করতে হয়! বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম অভিনীত ‘হক’ সিনেমায় শাজিয়া বানুর চরিত্রটা মোটেই খুব একটা সহজ ছিল না।

একজন মুসলিম নারীর চরিত্রে অভিনয় করতে সেই ধর্ম সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ জ্ঞানার্জন করতে হয়েছিল।আর সেই কঠোর পরিশ্রমের মেয়াদ পাঁচ মাস বা এক বছর নয়, টানা দেড় বছর শাজিয়া বানু হয়ে ওঠার চেষ্টা করেছেন ইয়ামি গৌতম।

২০২৫ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছিল ইমরান হাসমি ও ইয়ামি গৌতম অভিনীত ‘হক’।দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে এটি। ১৯৭০-এর দশকের ভারতের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমাটি।যেখানে শাজিয়া বানু একজন আইনজীবীর স্ত্রী। আর স্ত্রী বর্তমান থাকতেই তার স্বামী আরও একটি বিয়ে করেন। শুধু তাই নয়, স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতেও অস্বীকার করে স্বামী। নিজের অধিকার ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয় শাজিয়া।

বাস্তবের ইয়ামির মুখোশ ছেড়ে পারফেক্ট মুসলিম নারী হয়ে উঠতে শিখেছেন কুরআন, অর্জন করেছেন শরিয়া আইনের অভিজ্ঞতা। চরিত্রকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার তাগিদেই দেড় বছর শরিয়া আইন নিয়ে চর্চা করছেন ইয়ামি গৌতম।

সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ইয়ামির কাজের প্রতি একাগ্রতা নিয়ে মুখ খুলেছেন পরিচালক। তিনি বলেন, আমরা প্রায় দেড় বছর সময় নিয়ে ইসলামিক আইন বুঝতে চেষ্টা করেছি। অনেকটা গভীরে গিয়ে এই সিনেমার গবেষণা করার আরও একটি কারণ হল, বর্তমানে প্রচুর ভুল তথ্যের প্রচার করা হয়। আমরা সবসময় পথটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। তাই সময় বেশি লাগলেও আমরা সম্পূর্ণ তথ্য নিয়েই ময়দানে নেমেছি। এখন প্রতিটি মানুষের কাছেই তথ্য আছে কিন্তু সেটা ঠিক না ভুল বোঝা কঠিন। সেই পরিস্থিতিতে আমি চেয়েছিলাম ‘হক’ যেন যুক্তির একটি কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS