রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ঘরে পাওয়া চার লাশের ব্যাপারে প্রাথমিক ধারণায় পুলিশ মনে করছে, স্ত্রী ও সন্তানদের ‘হত্যা’ করে মোহাম্মদ মাসুম (৩৫) ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। তার ফ্যানের সঙ্গে লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। বাকিদের মরদেহ ছিল বিছানায়।
মাসুদের স্ত্রীর নাম ফাতেমা আক্তার সুমি (৩২)।তাদের দুই সন্তান সাড়ে তিন বছর বয়সী মিনহাজ (৪) ও দেড় বছরের আসাদ। এ দম্পতির ১০ বছরে বয়সী একজন কন্যা সন্তানও রয়েছে। সে তার দাদির সঙ্গে থাকে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের পল্লবী জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের ১২ নম্বর রোডের ৩ নম্বর পরিত্যক্ত ওয়াপদা ভবনের নিচতলায় বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের দুই সন্তানের লাশ উদ্ধার করা হয়।
মাসুদ-সুমি দম্পতি ও তাদের সন্তানদের লাশ উদ্ধারের বিষয়ে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম খলিল জানিয়েছেন, মরদেহগুলোর আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারটির চার সদস্যের মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানাবেন বলেও জানিয়েছেন এসআই ইব্রাহিম খলিল।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পল্লবী থানা পুলিশ মিরপুরের ১১ নম্বর সেকশনের ওয়াপদা এলাকার বাসা থেকে মাসুদ-সুমি দম্পতি ও তাদের সন্তানদের লাশ উদ্ধার করে।