News Headline :
বাবা-মেয়ের সিনেমা ‘কিং’, কাজের অগ্রগতি কতদূর? ছাগল–কাণ্ডে আলোচিত মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পিছিয়েছে অস্ত্রোপচার শেষে আইসিইউতে অমিতাভ! এখন কেমন আছেন অভিনেতা? কেন সারা বছর সানগ্লাস ব্যবহার জরুরি কাবলি ছোলার উপকারিতা ফাইনালের হাফটাইম শোয়ে কত টাকা পেলেন শাকিরা, বিবার, ম্যাডোনারা – বিশ্বকাপ ফুটবল বাগদানের পর পাকিস্তানে, হবু বরের দেশে নিয়ে রহস্য বাড়ালেন নীহা! শৈশবের স্বপ্ন থেকে বিশ্বরেকর্ড, এবার ঘরের মাঠে স্বর্ণ চান জশ কের ‘যতদিন ইচ্ছে খেলবে মেসি’—আর্জেন্টাইন অধিনায়কের অবসর জল্পনা ওড়ালেন স্কালোনি ফিফার প্রতি অসন্তোষে বিশ্বকাপ ফাইনালই বয়কট করলেন উয়েফা সভাপতি
বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে খালেদা জিয়াকে আত্মস্থ করতে হবে

বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে খালেদা জিয়াকে আত্মস্থ করতে হবে

বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম জিয়াকে আত্মস্থ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, বেগম জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, আমি একটা কথা প্রায় বলতাম, বেগম জিয়া ভালো থাকলে ভালো থাকবে বাংলাদেশ। বিশ্বাস করি, উনি অবশ্যই এখন ভালো আছেন।

গোটা বাংলাদেশ কি ভালো আছে? ভালো থাকবে? যদি বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হয়, তাহলে বেগম জিয়াকে ইন্টারনালাইজ (আত্মস্থ) করতে হবে। উনি উনার অসাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল। উনি সৎ ছিলেন, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন, আত্মত্যাগী ছিলেন, দেশপ্রেমী ছিলেন। উনার মধ্যে রুচির এক অবিস্মরণীয় প্রকাশ ছিল।পরমতসহিষ্ণু ছিলেন। বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম জিয়াকে ইন্টারনালাইজ (আত্মস্থ) করতে হবে।

আসিফ নজরুল আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। উনার পক্ষে কথা বলার মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না।

মনে আছে উনার একটি অদ্ভুত বিচার হয়েছিল। সেই বিচারে উনি এত শকড হয়েছিলেন! অন্যপক্ষের আইনজীবীর কথা শুনে তিনি অবাক হয়ে বলেছিলেন, আমি মেরে খেয়েছি এতিমের টাকা! বিস্মিত হয়ে তিনি বলেছিলেন। এ বাক্যটাকে বিচারক লিখেছিলেন- বেগম জিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন, তিনি কাজটা করেছেন। আমি আইনের ছাত্র হয়ে বলি, এত জঘন্য একটা বিচার হয়েছে।

এটার বিপক্ষে বিবৃতি লিখে তিনি বিভিন্ন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন জানিয়ে আসিফ নজরুল আরও বলেন, বিভিন্ন মানুষকে ফোন করেছি।চারজনের বেশি রাজি হননি যে হাইকোর্টে কী করবে না করবে। চারজনের তো আর বিবৃতি হয় না, তাই পত্রিকায় দিতে পারিনি। তিনি যখন বিমর্ষ অবস্থায়, উনার যেন বিদেশে উন্নত চিকিৎসা হয়, কত মানুষকে অনুনয়-বিনয় করেছি, অনেকের ইচ্ছে ছিল, সাহস করেননি।

এক নেত্রীর ঠাঁয় হয়েছে মানুষের হৃদয়ে, আরেকজনের ঠাঁয় হয়েছে বিতাড়িত ভূমিতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকে আমার ভালো লাগছে, সবাই আমরা মুক্তভাবে বেগম জিয়ার প্রতি ভালোবাসার কথা বলতে পারছি। আল্লাহর কাছে হাজার কৃতজ্ঞতা, বাংলাদেশের মানুষ আজকে স্বাধীনভাবে ঘৃণাও প্রকাশ করতে পারছে, স্বাধীনভাবে ভালোবাসাও প্রকাশ করতে পারছে।

শোকসভায় আরও বক্তব্য দেন দৈনিক যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ, আইসিসিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এস এম ফয়েজ, ডেইলিস্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, গবেষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. রাশেদ আল তিতুমীর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিমিন রহমান, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়।

বক্তব্য না দিলেও শোকসভায় সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সভার আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্ল্যাহ এবং সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক আশরাফ কায়সার ও কাজী জেসিন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS