বিপিএলের দ্বাদশ আসরে আরেকটি হ্যাটট্রিক যোগ হলো ইতিহাসের পাতায়। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে রিপন মণ্ডলের হ্যাটট্রিক শুধু একটি ম্যাচঘটিত ঘটনা নয়, বরং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দীর্ঘদিনের এক বিরল অধ্যায়ে নতুন নামের সংযোজন।
বিপিএলের ইতিহাসে হ্যাটট্রিক বরাবরই বিশেষ কিছু। কারণ পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই এমন কীর্তি এসেছে হাতে গোনা কয়েকবার।
রিপনের আগে চলতি আসরেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। এর আগে ২০২৪ আসরে শরীফুল ইসলাম ও মঈন আলীর হ্যাটট্রিক বিপিএলের ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।
এই তালিকার শুরুটা হয়েছিল ২০১২ সালে বিপিএলের প্রথম আসরেই। পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ সামি তখন দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে হ্যাটট্রিক করে প্রথম নাম লেখান।এরপর আল-আমিন হোসেন, অ্যালিস আল ইসলাম, ওয়াহাব রিয়াজ ও আন্দ্রে রাসেলের মতো বোলাররা সময়ের ব্যবধানে সেই বিরল কীর্তির অংশ হন।
বিপিএলের হ্যাটট্রিকগুলোর দিকে তাকালে একটি প্রবণতা স্পষ্ট বাঁহাতি পেসারদের আধিপত্য। মোট হ্যাটট্রিকের উল্লেখযোগ্য অংশই এসেছে বাঁহাতি পেসারদের হাত ধরে। শরিফুল ইসলাম, ওয়াহাব রিয়াজ, মেহেদী হাসান রানা এই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো রিপনের নাম।
৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ওই ৩টিই উইকেট পেয়েছেন তিনি।
আরও একটি ব্যতিক্রমী রেকর্ড গড়েছেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। তিনিই একমাত্র বোলার, যিনি বিপিএলে দুটি হ্যাটট্রিকের মালিক একটি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে, আরেকটি রংপুর রাইডার্সের জার্সিতে।
এদিকে রিপনের হ্যাটট্রিক ও আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ৪ উইকেট প্রাপ্তির ম্যাচে ১৩১ রানে অলআউট হয়েছে ঢাকা। এই প্রতিবেদন পর্যন্ত জবাবে ১ উইকেটে ৬০ রান তুলেছে রাজশাহী।