প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি যাচ্ছেন কবে?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি যাচ্ছেন কবে?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এই সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, চলতি আগস্টের শেষ দিকে অথবা সেপ্টেম্বরে দিল্লি সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সূত্র জানায়, ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে।এর একটি হলো দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ। আর অন্যটি আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার গত ১০ আগস্ট দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণও জানান দীনেশ ত্রিবেদী। এরপর তিনি সেদিনই নয়াদিল্লিতে যান। সেখানে গিয়ে পরদিন ১১ আগস্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

সূত্র জানায়, ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে প্রতিদিনই এই সফর নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। দিল্লি চলতি মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরে নিতে চাইছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকলেও এখনো দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে একটি সূত্র বলছে, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দিল্লি সফর শেষে আজ শুক্রবার ঢাকায় ফিরছেন। তিনি ঢাকায় ফেরার পর সরকারের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। দিল্লির বার্তাও দেবেন দীনেশ ত্রিবেদী। বিশেষ করে শেখ হাসিনা ইস্যুতে দিল্লির অবস্থান সুস্পষ্ট করবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। আর সেই বার্তার প্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অনেকটা নির্ভর করছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময়ে এই সফর হবে।

ব্রিকসের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফরে যাবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্রিকস তো অনেক দেরি। এক মাসে বহু কিছু হয়ে যেতে পারে।

ঢাকা ও দিল্লি উভয় পক্ষই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে আগ্রহী। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা কমিয়ে পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS