ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। এ সময় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে মিনি বাসে করে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে উত্তরার নবাব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর এ পরিদর্শন শুরু করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
পরিদর্শনকালে উত্তরা সেন্টার, দিয়াবাড়ি মেট্রোরেল এলাকা, ডিএনসিসির মিয়াকো বন, ক্যান্টনমেন্ট, মিরপুর-১২, পল্লবী, কালশী, ইসিবি চত্বর, বনানী, কাকলী, মহাখালী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের এলাকা, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, হোটেল সোনারগাঁও, আসাদগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সংসদ ভবন এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি।
এ সময় উত্তরা ও দিয়াবাড়ি মেট্রোরেল এলাকা, দিয়াবাড়ি খাল, মিয়াকো বন, ডিএনসিসির সেন্টার পয়েন্ট নার্সারি বন এবং সংসদ ভবন এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রশাসক।
পাশাপাশি মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন তিনি।এ সময় প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
ডিএনসিসির আওতাধীন যেসব এলাকায় খালি জায়গা রয়েছে, সেসব স্থানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ‘গ্রিন ঢাকা’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবেশ বিভাগের প্রধানকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন।
ঢাকা উত্তর সিটির বিভিন্ন এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে আলাদা টিম গঠন এবং এসব টিমের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন প্রশাসক।
পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত ওসমান, প্রশাসকের পিএস মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এস এম শফিকুর রহমান, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেমসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।