ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রভাবের লড়াই নিয়ে নতুন করে আলোচনা সামনে এনেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র যে বৈশ্বিক আধিপত্যের কথা বলে, বাস্তবে তার বড় একটি অংশ ইতোমধ্যেই ক্ষয় হয়েছে।বিপরীতে, ইরানের হাতে এখনো এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ ‘কার্ড’ রয়েছে, যেগুলো এখনো পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়নি।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
গালিবাফ তার বক্তব্যে একটি ‘সমীকরণ’ তুলে ধরেন, যেখানে একদিকে রয়েছে ইরানের সরবরাহনির্ভর শক্তি। এর মধ্যে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং তেল পরিবহনের পাইপলাইন নেটওয়ার্ককে।অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নির্ভর করছে চাহিদা নিয়ন্ত্রণের ওপর; যেমন কৌশলগত মজুত থেকে তেল সরবরাহ, চাহিদা কমানোর উদ্যোগ এবং সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়।
ইরানি স্পিকার বলেন, তেহরানের হাতে থাকা বিকল্পগুলোর অনেকই এখনো প্রয়োগ করা হয়নি।তবে যুক্তরাষ্ট্র তার বেশ কিছু কৌশল ইতোমধ্যে ব্যবহার করেছে, কিংবা আংশিকভাবে বাস্তবায়ন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে তিনি মন্তব্য করেন, তারা কার্ড দেখিয়ে বড়াই করছে। দেখা যাক; সরবরাহের কার্ড বনাম চাহিদার কার্ড।
ইরানের সম্ভাব্য পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গালিবাফ জানান, হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং পাইপলাইন সংশ্লিষ্ট সক্ষমতা এখনো অপ্রয়োগিত রয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়া, আংশিকভাবে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ এবং সামনে আরও মূল্য সমন্বয়ের সম্ভাবনা।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমে দেশটিতে জ্বালানির চাহিদা আরও বাড়তে পারে, যা পরিস্থিতিকে নতুন করে প্রভাবিত করতে পারে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি