নারী আসন: এবার ৮৮ শতাংশ প্রার্থী উচ্চশিক্ষিত, স্বশিক্ষিত দু’জন

নারী আসন: এবার ৮৮ শতাংশ প্রার্থী উচ্চশিক্ষিত, স্বশিক্ষিত দু’জন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশই উচ্চশিক্ষিত। দু’জন স্বশিক্ষিত, একজন মাধ্যমিক, দু’জন উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।

প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

জাতীয় সংসদের সাধারণ আসনের অনুপাতে বিএনপি জোটকে ৩৬, জামায়াত জোটকে ১৩ আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জোটকে একটি আসন বণ্টন করে দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এতে বিএনপি জোটের ৩৬ প্রার্থী, জামায়াত জোটে ১২ প্রার্থী ও স্বতন্ত্র জোটের একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান।

একজনের হলফনামা অস্পষ্ট বিধায় প্রকাশ করেনি ইসি।এক্ষেত্রে একটি আসনে পরবর্তীতে নির্বাচন হলে ৪৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪৩ জনই উচ্চশিক্ষিত।

রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রকাশিত প্রার্থীদের হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, বিএনপি জোটে দু’জন স্বশিক্ষিত প্রার্থী রয়েছেন।বিএনপি ও জামায়াত জোটের দু’জন উচ্চ মাধ্যমিক; জামায়াতে একজন মাধ্যমিক পাস প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া দু’জন চিকিৎসাবিদ্যায় উচ্চশিক্ষিত, রয়েছেন ব্যারিস্টারও। অন্যরা কমপক্ষে স্নাতক পাস করে সংসদে যাচ্ছেন।

বিএনপি জোটের সাকিল ফারজানা ব্যারিস্টার ও জহরত আদিব চৌধুরী ব্যারিস্টার, রাশেদা বেগম হীরা এমফিল করেছেন। সানসিলা জেবরিন এমআরসিএস করেছেন, তিনি ৩২ বছর বয়সী অর্থাৎ সবচেয়ে কম বয়সী দুই জনের মধ্যে তিনিও একজন সংরক্ষিত আসনের সদস্য প্রার্থী। জিবা আমিন খান ও মমতাজ আলো স্বশিক্ষিত। বিএনপি জোটের সাবিরা সুলতানা উচ্চ মাধ্যমিক পাস।

জামায়াত জোটের প্রার্থী মারজিয়া বেগম উচ্চ মাধ্যমিক ও মিসেস সাজেদা সামাদ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। এই জোটের মাহমুদ আলম মিতু (এনসিপি) এমবিবিএস করেছেন। এছাড়া তাসমিয়া প্রধান (জাগপা) একজন ব্যারিস্টার।

সেলিমা রহমান
৮৫ বছর বয়সী বিএনপি স্থায়ী কমিটির এ সদস্য ১৯৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬ মেয়াদে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০১৫ সালের মামলা ছিল ৮টি, গেল বছর নির্বাহী আদেশে প্রত্যাহার হয় সব মামলা। ৩৬ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়; বাড়ি ভাড়া, শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে আসে এ অর্থ। আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩৭ টাকা।

শিরীন সুলতানা
৫৯ বছর বয়সী শিরীন সুলতানা ১৯৯৬ সালেও সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তার ১০টি মামলা বিচারাধীন, আগে ৮টি মামলায় খালাস পান তিনি। বিএনপি নেত্রীর বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। সম্পদ রয়েছে চার কোটি সাড়ে ছয় লাখ টাকার বেশি।

রাশেদা বেগম হীরা
৬৯ বছর বয়সী রাশেদা বেগমের মামলা ছিল একটি, ২০২৪ সালে খালাস পেয়েছেন। আয়কর রিটার্নে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ২৫ লাখ টাকার বেশি। দেড় কোটি টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন তিনি। অষ্টম ও নবম সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের এ সংসদ সদস্য।

রেহেনা আক্তার রানু
৫৭ বছর বয়সী রেহেনা আক্তার রানু সবশেষ ২০১৮ সালের মামলায় খালাস পান ২০২৪ সালে। অষ্টম ও নবম সংসদের সংসদ সদস্য ছিলেন। প্রায় তিন কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

নেওয়াজ হালিমা আরলী
৫৭ বছর বয়সী নেওয়াজ হালিমা আরলী মামলা ছিল একটি, প্রত্যাহার হয়েছে ২০২৪ সালে। অষ্টম সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। এ আইনজীবীর বার্ষিক আয় ১৪ লাখ টাকার বেশি।

মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন
৬৪ বছর বয়সী মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন প্রথমবার সংসদ সদস্য হচ্ছেন। ২০১১ সালের একটি মামলায় খালাস পান গত বছর। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

বিলকিস ইসলাম
৭০ বছর বয়সী বিলকিস ইসলাম ২০০১-২০০৬ মেয়াদে ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য। নেই কোনো মামলা। বার্ষিক আয় সাড়ে ৬ লাখ টাকার বেশি, আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে সাড়ে ৬৪ লাখ টাকা।

সাকিলা ফারজানা
প্রথমবার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন সাড়ে ৪৮ বছর বয়সী সাকিলা ফারজানা। দুটো মামলায় খালাস পেয়েছেন। বার্ষিক আয় সাড়ে ১৪ লাখ টাকার মতো, সম্পদ রয়েছে ৯৪ লাখ টাকার। তবে স্বামী সম্পদশালী, আয়কর রিটার্নে তার সম্পদ দেখানো হয়েছে সাড়ে ১৭ কোটি টাকার।

হেলেন জেরিন খান
৫৭ বছর বয়সী হেলেন জেরিন খান অষ্টম সংসদেও নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১১টি মামলা ছিল, সবগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। বার্ষিক আয় ৩৭ লাখ টাকার বেশি, আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে ৬ কোটি টাকার বেশি।

নিলোফার চৌধুরী মনি
৫৬ বছর বয়সী নিলোফার চৌধুরী মনি নবম সংসদেও নারী আসনের সদস্য ছিলেন। কখনও মামলার মুখোমুখি হননি। বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকা আর ৪৪ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।

নিপুন রায় চৌধুরী
৩৯ বছর বয়সী নিপুন রায় চৌধুরীর ২৩টি মামলায় ২০২৫ সালে অব্যাহতি, খালাস ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। বার্ষিক আয় সাড়ে ৩০ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার। স্বামী ও তার ৬০২ ভরি স্বর্ণ, অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের তৈরি গহনা রয়েছে।

জিবা আমিনা খান
৬৪ বছর বয়সী জিবা আমিনা খান সংসদ সদস্য হতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়েন গত ১২ এপ্রিল। ৯টি মামলা চলমান; কোনোটা উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত বা জামিনে রয়েছেন তিনি। বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৫ লাখ আর সম্পদ রয়েছে ৮০ লাখ টাকার।

মাহ্‌মুদা হাবীবা
৫৩ বছর বয়সী মাহ্‌মুদা হাবীবার কোনো মামলা নেই। বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার।

মোছা. সাবিরা সুলতানা
৫০ বছর বয়সী মোছা. সাবিরা সুলতানার দুটো মামলা চলমান আর ৮টি মামলা খালাস হয়েছে। ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। আয়কর রিটার্নে দেখানো হয়েছে বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা আর সম্পদ ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

সানসিলা জেবরিন
৩২ বছর বয়সী সানসিলা জেবরিনের নেই কোনো মামলা। বার্ষিক আয় প্রায় ৭ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ৬৪ লাখ টাকার মতো।

সানজিদা ইসলাম
৪৩ বছর বয়সী সানজিদা ইসলামেরও কোনো মামলা নেই। বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আর সম্পদ দেখিয়েছেন ২ কোটি ১৩ লাখ টাকার বেশি।

সুলতানা আহমেদ
৬২ বছর বয়সী সুলতানা আহমেদ ৫টি মামলা খালাস রয়েছে। বার্ষিক আয় ৯৬ লাখ টাকা আর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে সাড়ে ৫ কোটি টাকার।

ফাহমিদা হক
৪৮ বছর বয়সী ফাহমিদা হকের বার্ষিক আয় ৭ লাখ টাকা আর সম্পদ রয়েছে ৬০ লাখ টাকার। আর স্বামীর বার্ষিক আয় ৫৮ লাখ টাকা ও সম্পদ রয়েছে ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকার।

আন্না মিন্‌জ
৬৪ বছর বয়সী আন্না মিন্‌জ বার্ষিক আয় করেন ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৮ লাখ টাকার।

সুবর্ণা সিকদার
৫২ বছর বয়সী সুবর্ণা সিকদারের বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৬৩ হাজার, সম্পদ রয়েছে ৩৯ লাখ টাকার।

শামীম আরা বেগম স্বপ্না
৬৬ বছর বয়সী শামীম আরা বেগম স্বপ্না দুটি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। চলতি অর্থ বছরে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আয়; এরমধ্যে জমি বিক্রি হতে মূলধনী আয় প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর তার সম্পদ রয়েছে ৪ কোটি টাকার।

মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার
৫২ বছর বয়সী মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার নবম সংসদে সংরক্ষিত আসনের সদস্য ছিলেন।

ফেরদৌসী আহমেদ
৫২ বছর বয়সী ফেরদৌসী আহমেদ ৭টি মামলায় এজাহারে অভিযুক্ত। আয় ৪ লাখ ৯১ হাজার, সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ টাকার।

বীথিকা বিনতে হোসাইন
৪৬ বছর বয়সী বীথিকা বিনতে হোসাইনের বার্ষিক আয় ৩৮ লাখ টাকা, সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ১২ লাখ টাকা।

মোছা. সুরাইয়া জেরিন
৪১ বছর বয়সী মোছা. সুরাইয়া জেরিন ৬টি মামলায় খালাস। আড়াই লাখ টাকা আয়।

মানসুরা আক্তার
৩২ বছর বয়সী মানসুরা আক্তারের একটি মামলা ছিল, মামলা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন (এফআরটি) অবস্থায় রয়েছে। আয়কর রিটার্নে কোনো আয় দেখানো হয়নি। সম্পদের পরিমাণ ৩ লাখ টাকা।

জহরত আদিব চৌধুরী
৪৩ বছর বয়সী জহরত আদিব চৌধুরীর বার্ষিক আয় ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এরমধ্যে চাকরি থেকে গেল বছর ডিসেম্বরে পদত্যাগ করেন তা থেকে আয় ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার। আর সম্পদ রয়েছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার।

মমতাজ আলো
৫২ বছর মমতাজ আলোর ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা আয় আর সম্পদ রয়েছে ৭২ লাখ টাকার।

ফাহিমা নাসরিন
৬৩ বছর বয়সী ফাহিমা নাসরিনের দুটি মামলার একটি স্থগিত ও অন্যটি থেকে অব্যাহতি। বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা আর সম্পদ ২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

আরিফা সুলতানা
৪৭ বছর বয়সী আরিফা সুলতানার মামলা ছিল ৬টি, অব্যাহতি পেয়েছেন। আয় ৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা আর সম্পদ ৪৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার।

মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন
৩৭ বছর বয়সী মোছা. সানজিদা ইয়াসমিনের একটি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। ৫ লাখ টাকা বার্ষিক আয় আর সম্পদ রয়েছে ৩৭ লাখ টাকা।

নাদিয়া পাঠান পাপন
৪২ বছর বয়সী নাদিয়া পাঠান পাপনের তিনটি মামলা নিষ্পত্তি রয়েছে। ৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা বার্ষিক আয় আর সম্পদ রয়েছে ৫০ লাখ টাকার বেশি।

শওকত আরা আক্তার
৪৯ বছর বয়সী শওকত আরা আক্তারের প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় করেন আর সম্পদ রয়েছে ২ কোটি টাকার।

মাধবী মার্মা
৪৯ বছর বয়সী মাধবী মার্মার আয় ৩ লাখ টাকার বেশি, সম্পদ ২১ লাখ টাকার।

সেলিনা সুলতানা
৪৭ বছর বয়সী সেলিনা সুলতানা একটি মামলায় খালাস। ৮৩ হাজার টাকা আয় আর সম্পদ সাড়ে ২২ লাখ টাকা।

রেজেকা সুলতানা
৪৮ বছর বয়সী রেজেকা সুলতানা ৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা আয় বছরে, আর সম্পদ ৯৭ লাখ টাকার।

জামায়াত জোট:

নূরুন্নিসা সিদ্দীকা
৬৭ বছর বয়সী নূরুন্নিসা সিদ্দীকা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। আয় ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা, সম্পদ প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

মারজিয়া বেগম
৬৮ বছর বয়সী মারজিয়া বেগমের আয় ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, আর সম্পদ ৮৮ লাখ টাকার।

সাবিকুন্নাহার
৫৩ বছর বয়সী সাবিকুন্নাহারের আয় ১৬ লাখ টাকা আর সম্পদ ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার। স্বামীর প্রায় ৩ কোটি টাকার।

নাজমুন নাহার
৫৫ বছর বয়সী মোসা. নাজমুন নাহার আয় দেখাননি, সম্পদ প্রায় পৌনে ২৩ লাখ টাকার।

মাহফুজা হান্নান
৬৬ বছর বয়সী মাহফুজা হান্নানের আয় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা সম্পদ প্রায় ৩৯ লাখ টাকার।

সাজেদা সামাদ
৬২ বছর বয়সী মিসেস সাজেদা সামাদের একটি মামলা ছিল, গত বছর নির্বাহী আদেশে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আড়াই লাখ টাকা আয় বছরে, সম্পদ ১২ লাখ ৬৩ হাজার টাকার।

শামছুন্নাহার বেগম
শামছুন্নাহার বেগমের আয় ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা আর সম্পদ ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

মারদিয়া মমতাজ
৪১ বছর বয়সী মারদিয়া মমতাজের আয় ৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। সম্পদ রয়েছে ২১ লাখ টাকার।

রোকেয়া বেগম
৪৮ বছর বয়সী রোকেয়া বেগমের নিজের আয় নেই, অধিগ্রহণকালের মূল্যে লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।

মাহমুদা আলম
৩৭ বছর বয়সী মাহমুদা আলম মিতুর ৩ লাখ টাকা আয় আর সম্পদ ২৮ লাখ টাকার।

তাসমিয়া প্রধান
৪৫ বছর বয়সী তাসমিয়া প্রধানের প্রায় ৮ লাখ টাকা বার্ষিক আয়, সম্পদ রয়েছে ৬৭ লাখ টাকার।

মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় অস্পষ্টতা থাকায় প্রকাশ করেনি ইসি। মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে।

এদিকে স্বতন্ত্র জোটের ৩৪ বছর বয়সী সুলতানা জেসমিনের মামলা ছিল ৫টি, প্রত্যাহার হয়েছে গত বছর। সাড়ে ৫ লাখ টাকা বার্ষিক আয় আর সম্পদ সাড়ে ২৮ লাখ টাকার।

জামায়াত জোটের এক আসন উন্মুক্ত হয়ে গেলে পরবর্তীতে নির্বাচন হতে পারে। আর বর্তমান তফসিল অনুযায়ী, ৫০ আসনে কেউ আপিল দায়ের করলে নিষ্পত্তি শেষ সময় ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। আর নির্বাচন হবে ১২ মে। তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে বিদ্যমান প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS